তুলসীঘাট বিসিআইসি বাফার সার গোডাউনে অবৈধ কমিটির দৌরাত্ম্য বন্ধ ও শ্রমিকদের কমিটি অনুমোদনের দাবিতে তীব্র প্রতিবাদ
মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার তুলসীঘাট বিসিআইসি বাফার সার গোডাউনে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অবৈধ ট্রেড ইউনিয়ন কমিটির কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ এবং সাধারণ শ্রমিকদের মাধ্যমে গঠিত নতুন কমিটি দ্রুত অনুমোদনের দাবিতে তীব্র প্রতিবাদ ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল সাহাপাড়া ইউনিয়ন শাখা, সদর উপজেলা গাইবান্ধার সাধারণ সম্পাদক মোঃ বুলু খন্দকার বাচ্চু এবং বল্লমঝাড় ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক কাজী মোঃ মাহমুদুল হাসান (ইমন)।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, তুলসীঘাট বিসিআইসি বাফার সার গোডাউন কুলি শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং রাজ-২৪৫৬) ও (রেজিঃ নং বগুড়া-০৭৭) ট্রেড ইউনিয়নের কমিটির মেয়াদ ২০২৪ সালেই শেষ হয়েছে। এরপরও কোনো সাধারণ সভা বা গণতান্ত্রিক নির্বাচন ছাড়াই অবৈধভাবে কমিটির কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে শ্রমিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
অভিযোগে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে শ্রমিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে শ্রমের ন্যায্য পাওনা থেকে ‘ভাগা’ নামের চাঁদা আদায় করছে। একই সঙ্গে লোডিং টেন্ডারের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে পুনরায় প্রভাব প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা চলছে বলে দাবি করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সাধারণ শ্রমিকরা বৈধ সাধারণ সভার মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করে তা রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়ন, বগুড়া অফিসে অনুমোদনের জন্য দাখিল করেছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তর অযৌক্তিকভাবে অনুমোদন প্রক্রিয়া বিলম্ব করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, অবৈধ কমিটির দৌরাত্ম্য অব্যাহত থাকলে যে কোনো সময় সংঘাতের সৃষ্টি হতে পারে এবং কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সার সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।
তারা অবিলম্বে
মেয়াদোত্তীর্ণ ও অবৈধ কমিটির সকল কার্যক্রম স্থগিত,
বিতর্কিত লোডিং টেন্ডার বাতিল,
সাধারণ শ্রমিকদের গঠিত কমিটি দ্রুত অনুমোদন,
এবং সংশ্লিষ্ট অনিয়মের তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান।
এ বিষয়ে অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, পুলিশ সুপার গাইবান্ধা এবং রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়ন, বগুড়া কার্যালয়ে।