শেখ আসাদুজ্জামান আহমেদ টিটু, বিশেষ প্রতিনিধি।
গাইবান্ধার বামনডাঙ্গা স্টেশনে আটকা পড়া করতোয়া এক্সপ্রেস ও দোলনচাপা এক্সপ্রেসের যাত্রীদের খাবার ও পানি সরবরাহ করে মানবিক সহায়তা দিয়েছেন স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সাগির খান।
তিনি বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব। দুটি ট্রেনে দীর্ঘ সময় আটকা পড়া যাত্রীরা ক্ষুধা ও পানির অভাবে অস্থির হয়ে পড়লেও, সাগির খান তৎপরতার সঙ্গে সাহায্যের হাত বাড়ান।
তিনি নিজ উদ্যোগে খিচুড়ি রান্না করে যাত্রীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেন। এসময় শিশু খাদ্য ও পানি নিয়েও তিনি তাদের পাশে দাঁড়ান।
যাত্রী ও ট্রেনের স্টাফরা জানান, দুপুর থেকে ট্রেনে আটকা পড়ে তারা কখন ট্রেন ছাড়বে, তা নিয়ে অপেক্ষায় ছিলেন। ভীষণ ভোগান্তিতে থাকা শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য খাবার বিতরণে এগিয়ে আসেন সাগির খান।
তার আয়োজনের মাধ্যমে ট্রেনের যাত্রী ছাড়াও স্টেশন মাস্টার ও অন্যান্য কর্মচারীদেরও খাবার দেওয়া হয়।
সাগির খানের ভাতিজা আরিফ খান বলেন, ‘স্টেশনের পাশে মোহনা পাঠাগারের সামনে খিচুড়ি রান্নার আয়োজন করা হয়। খিচুড়ির সঙ্গে ডিমও দেওয়া হয়। প্রায় দুই শতাধিক যাত্রী ও স্টাফরা খাবার পান।’ এ
দিকে, যাত্রী ও রেল কর্মকর্তারা সাগির খানের খাবারের ব্যবস্থা এবং মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেছেন।
বামনডাঙ্গা স্টেশন মাস্টার হাইউল মিয়া জানান, আটকা পড়া ট্রেনগুলো পুনরায় চলাচলের জন্য উদ্ধারকাজ শেষে রাত ১২টার দিকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয় তিনি আরও জানান, রংপুরের পীরগাছায় পদ্মরাগ মেইল ট্রেনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় করতোয়া এক্সপ্রেস ও দোলনচাপা এক্সপ্রেস বামনডাঙ্গা স্টেশনে আটকা পড়ে। করতোয়া এক্সপ্রেস দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে, আর দোলনচাপা এক্সপ্রেস দুপুর ২টা ৩৬ মিনিটে বামনডাঙ্গায় পৌঁছায়। পাশাপাশি গাইবান্ধা স্টেশনে ঢাকা থেকে আসা বুড়িমারী এক্সপ্রেস ও রংপুর এক্সপ্রেসও আটকা পড়ে থাকে।