১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

এক বছরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঝরেছে ২২৯ প্রাণ।

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৩
এক বছরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঝরেছে ২২৯ প্রাণ।

Manual3 Ad Code

এক বছরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঝরেছে ২২৯ প্রাণ।
——————————————

Manual6 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টারঃ ২০২২ সালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২২৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১৮৬ জন। ৪৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৭৮ জন। ৫৪ জন অটোরিকশা যাত্রী এবং ৪৮ জন পথচারী এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।
বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। এটি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান।
প্রতিবেদনে মহাসড়কের এলাকাভিত্তিক দুর্ঘটনা পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, টাঙ্গাইল জেলায় বঙ্গবন্ধু সেতুর গোলচত্বরে একটি দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত, ১৭ জন আহত, ভূঞাপুরে পাঁচটি দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত, ৮ জন আহত, কালিহাতীতে ২৭টি দুর্ঘটনায় ৪২ জন নিহত, ৭৯ জন আহত, রাবনা বাইপাসে ৪টি দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত, ৬ জন আহত, মির্জাপুরে ১৫টি দুর্ঘটনায় ৩০ জন নিহত ও ৩৮ জন আহত হয়েছেন।
গাজীপুর জেলায় জয়দেবপুরে ৮টি দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত, ৮ জন আহত, গাজীপুর সদরে ১২টি দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত, ৩ জন আহত, শ্রীপুরে ৯টি দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত, চন্দ্রায় একটি দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত, কালিয়াকৈরে ২৩টি দুর্ঘটনায় ৩৫ জন নিহত, ১৮ জন আহত, কোনাবাড়িতে একটি দুর্ঘটনায় একজন নিহত, গাছায় ৫টি দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত, ২ জন আহত, রাজেন্দ্রপুরে দুইটি দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত, টঙ্গীতে ১৫টি দুর্ঘটনায় ২৫ জন নিহত, ৩ জন আহত, চন্দনায় একটি দুর্ঘটনায় এক জন নিহত, কড্ডায় দুটি দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত, ৩ জন আহত ও ফ্লাইওভারের ওপরে ২টি দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনা পর্যালোচনা করে সংগঠনটি জানায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার পরেও দুর্ঘটনা ও হতাহত কমছে না। এর কারণ মহাসড়কে দ্রুতগতির ভারী যানবাহনের পাশাপাশি হালকা ও স্বল্পগতির অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, প্যাডেল রিকশা চলাচল করছে। এছাড়া মহাসড়কের যেকোনও স্থানে মানুষ ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার হচ্ছে। যানবাহনের বেপরোয়া গতিও দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে কাজ করছে।
এই পরিস্থিতিতে মহাসড়কটিতে দুর্ঘটনা রোধ করতে হলে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচলে সার্ভিস রোড নিশ্চিত করতে হবে, মহাসড়কে স্পিড ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। হাইওয়ে পুলিশের নজরদারি বাড়াতে হবে।
উল্লেখ্য, মহাসড়কের কালিহাতী, মির্জাপুর, শ্রীপুর, টঙ্গী, গাজীপুর সদর– এই স্পটগুলো অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে উঠেছে। এসব স্পটে দুর্ঘটনারোধে কার্যকর পদক্ষেপ জরুরিভিত্তিতে গ্রহণ করতে হবে।

Manual4 Ad Code