১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২২শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

লালমনির হাট জেলা ধন্য মোতাহার হোসেন এম পি- র জন্য

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৫, ২০২২
লালমনির হাট জেলা ধন্য মোতাহার হোসেন এম পি- র জন্য

Manual2 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

জাহিদ হাসান, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর লালমনিরহাট জেলার গণ- মানুষের নেতা সাবেক প্রতিমন্ত্রী লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সন্মানিত সভাপতি জননেতা তাহার হোসেন এম পি,র মাধ্যমে এই জেলার উন্নয়ের যাত্রা শুরু হয়।

জননেতা মোতাহার হোসেন এম পি মহোদয় কৃতিত্বের সহিত জেলার উন্নয়ন করেছেন, মোতাহার হোসেন এম পি মহোদয়ের অর্জনে অনেক কিছু তার মধ্যে অন্যতম অর্জন গুলো হলো বি, এস, সি শিক্ষক /বড়খাতা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৬৯ খ্রিঃ), বীর মুক্তিযোদ্বা/(১৯৭১খ্রিঃ), বীর সেনা কর্মকর্তা (১৯৭১-৭৩ খ্রিঃ), বিশিষ্ট ব্যবসায়ী/ লালমনিরহাট (১৯৭৪ খ্রিঃ), সাধারন সম্পাদক,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ হাতীবান্ধা উপজেলা/(১৯৭৭-৮৩ খ্রিঃ),সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ হাতীবান্ধা উপজেলা(১৯৮৩-০৫ খ্রিঃ),হাতীবান্ধা উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত- ১ম বার (১৯৮৫-৮৯ খ্রিঃ), হাতীবান্ধা উপজেলা চেয়ারম্যান- ২য় বার(১৯৮৫-৯০ খ্রিঃ),সংসদ সদস্য (হাতীবান্ধা- পাটগ্রাম)আসনে/ ১ম বার(২০০১ খ্রিঃ),বিরোধী দলিয় হুইপ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ / (২০০১-০৫ খ্রিঃ), লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (২০০৫ অধ্যাবধি), সংসদ সদস্য নির্বাচিত (হাতীবান্ধা- পাটগ্রাম)আসনে/ ২য় বার (২০০৯-১৪ খ্রিঃ), সংসদ সদস্য নির্বাচিত (হাতীবান্ধা- পাটগ্রাম)আসনে/ ৩য় বার,প্রতিমন্ত্রী – প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় (২০০৯-১৪ খ্রিঃ), সংসদ সদস্য নির্বাচিত (হাতীবান্ধা- পাটগ্রাম)আসনে/ ৩য় বার (২০১৪),সংসদ সদস্য নির্বাচিত (হাতীবান্ধা- পাটগ্রাম)আসনে/৪য় বার(২০১৮ অধ্যাবধি)।

লালমনিরহাট জেলাটি উন্নয়নে পিছিয়ে ছিল ব্রিটিশ আমল থেকেই। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে এসে আওয়ামীলীগ সরকার যুগান্তকারী পরিবর্তন এনে দিয়েছে । এ সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লালমনিরহাট সদর ও পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রামে নিয়ে আসেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন অবকাঠামোর শুভ উদ্বোধন করেন এম পি মোতাহার হোসেন ও এলাকার মানুষকে জননেতা মোতাহার হোসেনের পাশে থাকার আহবান জানান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।

Manual2 Ad Code

জনগনের চরম দূর্ভোগের নাম তিস্তার রেল জংশন। সেখানে তিস্তা নদীর উপর দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু নির্মাণ করেন,কাকিনা মহিপুর তিস্তা নদীর উপর নির্মাণ করেন বিশালাকার সেতু।চালু করা হয়েছে বুড়িমারী স্থলবন্দর, রংপুর থেকে বুড়িমারী পর্যন্ত ব্রিটিশদের করে যাওয়া প্রতিটি রেল স্টেশন কে নতুন ভাবে সাজাতে করা হয়েছে নতুন ভবন। বুড়িমারী থেকে লালমনিরহাট পর্যন্ত রেল লাইনকে করা হয়েছে সংস্কার,সংযুক্ত করা হয়েছে ২ টি নতুন ট্রেন।

প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য নিজ জেলায় করা হয়েছে পিটিআই সেন্টার এবং করা হয়েছে ডায়াবেটিকস ইনিস্টিটিউট।প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে করা হয়েছে বহুকক্ষ বিশিষ্ট।বুড়িমারী থেকে বড়বাড়ি পর্যন্ত মহাসড়ককে করা হয়েছে সংস্কার।প্রতিটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ।পাকা করণ করা হয়েছে গ্রামের প্রতিটি কাঁচা রাস্তা।

লালমনিরহাট জেলাটি উন্নয়নে পিছিয়ে ছিল ব্রিটিশ আমলের ধারাতেই।পরবর্তীতে ২০০৮ সালে এসে আওয়ামীলীগ সরকার যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসে। এ সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লালমনিরহাট সদর ও পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রামে নিয়ে আসেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন অবকাঠামোর শুভ উদ্বোধন করেন ও এলাকার মানুষকে জননেতা মোতাহার হোসেনের পাশে থাকার আহবান জানান। জনগনের চরম দূর্ভোগের নাম তিস্তার রেল জংশন। সেখানে তিস্তা নদীর উপর দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু নির্মাণ করেন,কাকিনা মহিপুর তিস্তা নদীর উপর নির্মাণ করেন বিশালাকার সেতু।চালু করা হয়েছে বুড়িমারী স্থলবন্দর, রংপুর থেকে বুড়িমারী পর্যন্ত ব্রিটিশদের করে যাওয়া প্রতিটি রেল স্টেশন প্লাটফরমকে নতুন ভবনসহ করা হয়েছে। আধুনিক,বুড়িমারী থেকে লালমনিরহাট পর্যন্ত রেল লাইনকে করা হয়েছে সংস্কার,সংযুক্ত করা হয়েছে দুটি নতুন ট্রেন।

প্রাথমিক শিক্ষকদের নিজ জেলা লালমনিরহাটে করা হয়েছে পিটিআই সেন্টার এবং করা হয়েছে ডায়াবেটিকস ইনিস্টিটিউট।প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে করা হয়েছে বহুকক্ষ বিশিষ্ট।বুড়িমারী থেকে বড়বাড়ি পর্যন্ত মহাসড়ককে করা হয়েছে সংস্কার ও এল ই ডি সোলার প্যানেলের ব্যাবস্থা।

প্রতিটি অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ।পাকা করণ করা হয়েছে গ্রামের প্রতিটি কাঁচা রাস্তা।হাতীবান্ধায় চালু করা হয়েছিলো ন্যাশনাল সার্ভিস।আলিমুদ্দিন কলেজ ও পাটগ্রাম সরকারী কলেজে খোলা হয়েছে অনার্স শাখা।করা হয়েছে ৪তলা বিশিষ্ট আধুনিক হাতীবান্ধা থানা ভবন ও পুলিশ জাদুঘর।

 

বড়খাতায় করা হয়েছে নতুন ট্রাফিক পুলিশ ফাঁড়ি এবং হাতীবান্ধা উপজেলা স্থাপন করা হয়েছে ফায়ার স্টেশন।হাতীবান্ধায় করা হয়েছে ২০০শয্যা বিশিষ্ট সরকারী আধুনিক মেডিকেল ভবন।

Manual7 Ad Code

পাটগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ এবং মিনি বাস টার্মিনাল নির্মাণ, পাটগ্রাম ধড়লা নদীর উপর সেতু নির্মান, হাতীবান্ধা সানিয়াজান নদীর উপর রাবার ড্রাম নির্মাণ।এছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তিসহ অনেক অনেক উন্নয়ন রংপুরে বিভাগে করেছেন আওয়ামীলীগ সরকার এবং সেখানে সরকারের একমাত্র প্রতিনিধি ছিলেন সাবেক সফল প্রতিমন্ত্রী জননেতা মোতাহার হোসেন এমপি মহোদয়,।

যিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট রংপুরের অবহেলিত চিত্র তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছিল এবং উক্ত উন্নয়ন সমূহের প্রয়োজনীতা তুলে বৃহত্তম রংপুরের পিছিয়ে পরা মানুষগুলোকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য জোর দাবী তুলেছিলেন এম পি মোতাহার হোসেন । যার ফলস্রুতিতে আজকের দৃশ্যমান রংপুর।এছাড়াও লালমনিরহাট -১ আসনে উন্নয়নের সর্বদিক সম্পূর্ণ করেছেন জননেতা মোতাহার হোসেন এমপি,

২০১৮ সালে তাঁক লাগা উন্নয়ন ,হাতীবান্ধা আলিমুদ্দিন কলেজ ও হাতীবান্ধা এস এস উচ্চ বিদ্যালয় সরকারী করণ। বুড়িমারী থেকে লালমনিরহাট মহাসড়ক রিপেয়ারিংকরণ ও বাইপাস রোডের কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ। হাতীবান্ধা-পাটগ্রামের বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ।

Manual2 Ad Code

দূর্যোগ ও বন্যা কবলিত এলাকাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহন ও তাদের মাঝে ত্রাণ,ঢেউটিন বিতরণ।

পাটগ্রামের ধরলা নদীর উপর ব্রীজ নির্মাণ।জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন সচেতনমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্হা গ্রহন ও তিস্তা মাহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহ সাধারন মানুষের পাশে থেকে জেলার উন্নয়নের গতি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন এম পি মোতাহার হোসেন।