১৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৬শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর নামে ফেক আইডি, র‌্যাব-৮ এর হাতে গ্রেফতার ২

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৫, ২০২০
মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর নামে ফেক আইডি, র‌্যাব-৮ এর হাতে গ্রেফতার ২

Manual5 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

রাজিব হোসেন সুজন, বরিশাল বিভাগীয় ব্যুরো প্রধানঃ র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ডাকাত, সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক ব্যবসায়ী ও প্রতারকচক্রসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরণের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‌্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৫ জানুয়ারি ২০২০ তারিখ সকালে বরগুনা জেলার আমতলী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে (১) আশিকুর রহমান আশিক@বিল্লাল(২৫), পিতা- মোঃ আলম মৃধা, সাং-মৃধাবাড়ী ওয়াদা সড়ক, থানা-আমতলী, জেলা-বরগুনা, (২) জান্নাতুন তহুরা(৩৫), স্বামী- মোঃ জামাল হোসেন খান, সাং-আমানতগঞ্জ সিরাজুল ইসলাম মানিক সড়ক, থানা-কাউনিয়া, বিএমপি,বরিশাল দুইজন চাঁদাবাজকে আটক করে।

Manual3 Ad Code

উল্লেখ থাকে যে, আসামী মোঃ আশিকুর রহমান আশিক@বেল্লাল দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ নাম ব্যবহার করে এবং সে নিজে সাদিক আব্দুল্লাহ পরিচয় দিয়ে ঝ ঝধফরয় অনফঁষষধয নামের ফেইসবুক আইডি ব্যবহার করে যা হুবহু সাদিক আব্দুল্লাহর ফেসবুক আইডির মত। সে উক্ত আইডি ব্যবহার করে লোকজনের বিশ্বস্ততা অর্জন করে ও পরবর্তীতে ফোনে যোগাযোগ করে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রতারণার মাধ্যমে চাঁদা দাবি করে আসছে। এরই প্রেক্ষিতে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব-৮ এর একটি আভিযানিক দল প্রথমে আশিকুর রহমান আশিক@বেল্লালকে বরগুনার আমতলী থেকে গ্রেফতার করে এবং পরবর্তীতে একটি ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে টাকা লেনদেনের কারণে সহযোগী জান্নাতুন তহুরাকে বরিশালের কাউনিয়া থেকে আটক করে।

Manual1 Ad Code

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করে। তারা বিভিন্ন মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ পরিচয় দিয়ে অনেক লোকের কাছ থেকে বিকাশ, রকেট এবং ব্যাংক একাউন্ট এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। চাকরি দেওয়ার নাম করে চাঁদা দাবি করে এবং অনেকের কাছ থেকে নানান রকমভাবে চাঁদার টাকা উত্তোলন করেছে। তাদের চাঁদাবাজির কাজে ব্যবহৃত মোবাইল এবং সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

র‌্যাবের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।