সিলেট বিভাগীয় ব্যুরো প্রধানঃ-
সিলেট নগরীর বন্দরবাজার করিম উল্লাহ মার্কেটের পূর্ব পাশে অবস্থিত দুইটি অভিজাত রেস্টুরেন্ট একটি নাম হলো পড়শী ও আরেকটি নাম হল পাকশী রেস্টুরেন্ট এই রেষ্টুরেন্টের টয়লেটের ভেতরে মিললো ফেনসিডিলের গোডাউন ।
বুধবার বেলা ৫ ঘটিকার সময় দুইজন লোক নাস্তা করতে যায় হঠাৎ করে একজন ওই পাকশী রেস্টুরেন্টের টয়লেটে প্রস্রাব করতে যায় তখন তার চোখে পড়লো ওইখানে কয়েকটি বোতল ঢেকে রাখা আছে ডাকনি সরিয়ে দেখা যায় কয়েকটি ফেনসিডিলের বোতল তখন সে নিরুপায় হয়ে ওই জায়গাটি ভিডিও করে নিয়ে চলে আসে রেস্টুরেন্টের বাহিরে এরপর তার পরিচিত একজন সাংবাদিককে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানায় তখন দুইজন সাংবাদিক এই খবরের ভিত্তিতে পাকশী রেস্টুরেন্টে গিয়ে দায়িত্বরত মালিক দুলাল আহ্মেদ ও ফয়জুল আমিন দুজনকে ডেকে নিয়ে টয়লেটের ভিতরে গিয়ে বিষয়টি সঠিক কিনা নিশ্চিত করা হয় রেস্টুরেন্ট মালিক কর্তৃপক্ষকে নিয়ে সেই সময় একটি ভিডিও করা হয় ।
তখন ওই রেস্টুরেন্টের একজন কর্মচারী কে ডেকে নিয়ে প্রশ্ন করা হলো যে আপনারা প্রতিদিন কি এই টয়লেট পরিষ্কার করেন কিনা সে উত্তরে বলল যে ভাই আমি প্রতিদিন রাতে টয়লেট পরিষ্কার করে যাই এরকম মাঝে মধ্যে এ ধরনের ফেনসিডিলের খালি বোতল পাওয়া যায় তখন আমি পরিষ্কার করে এগুলো ফেলে দেই ।
একথা শুনে কর্মচারীর উপর ক্ষেপে গিয়ে রেস্টুরেন্টের মালিক দুজন বললেন এই বক্সটা এখান থেকে তুলে ফেলো যেহেতু এই বক্সে আর কোন প্রমাণ না থাকে ।
পরে রেস্টুরেন্ট মালিক দুজন ও ম্যানেজার সহ তারা সাংবাদিকদের হাতে পায়ে ধরে মাফ চায় যেন এই কথাটা প্রশাসন পর্যন্ত না যায় ভবিষ্যতে আর এরকম হবে না এরপর সাংবাদিকরা তাদের সম্মানের কথা চিন্তা করে তারা চলে যায় ।
কিছুক্ষণ পর রেস্টুরেন্টের মালিকরা ওই রাতে সাংবাদিকদের খোঁজখবর নিতে থাকে এবং বিভিন্ন ধরনের কলা কৌশল অবলম্বন করে ওরা সাংবাদিক কিনা ও বাজে মন্তব্য করে সাংবাদিকদের নিয়ে রেস্টুরেন্ট মালিক ফয়জুল আমিন মোল্লা সেই খবরটি ও পাওয়া গেছে ।
আসলে ওই রেস্টুরেন্টের কর্তৃপক্ষের কোন লোক মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত আছে কিনা সন্দেহ অতএব প্রশাসন বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে দেখার জন্য অনুরোধ রইল ।