১৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৬শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

পটুয়াখালী মাদারবুনিয়া মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুল হক মাঝির বিরুদ্ধে ধর্ম ব্যবসার অভিযোগ

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৯, ২০১৯
পটুয়াখালী মাদারবুনিয়া মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুল হক মাঝির বিরুদ্ধে ধর্ম ব্যবসার অভিযোগ

Manual6 Ad Code

এস আল-আমিন খানঁ, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী সদর উপজেলা মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের নং ওয়ার্ডে একটি মাদ্রাসা ও একটি মসজিদ তৈরি করে সরকারি বরাদ্দ, যাকাতের টাকা ও বিভিন্ন রিসিভ একাধিক সীল ব্যবহার করে বহুদিন ধরে ধর্ম ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে মোঃ আব্দুল হক মাঝির বিরুদ্ধে। তিনি মৌকরন একটি মাদ্রাসার শিক্ষক।অভিযোগ কারী হলেন,মোঃ ইউসুফ মাঝি, এছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ গাজী, মহিলা সংরক্ষিত আসনের সাবেক ইউপি সদস্য মোসাঃ আমেনা বেগম সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিরা তারা বলেন, এখানে একটি মসজিদ ও একটি মাদ্রাসার শুধু নামে, নেই কোন ছাত্র নেই মসজিদের ইমাম, এমনকি এটা কোন কার্যক্রম ছাড়া মাদ্রাসা। দীর্ঘদিন যাবৎ এ ধর্ম ব্যবসা ও জালিয়াতিতে জড়িত রয়েছে আব্দুল হক মাঝি।এরকমও শোনাগেছে সে জামায়াত কর্মীদের সাথে জরিত রয়েছে। এছাড়াও এখানে বসে কবিরাজি শুরু করেছিলো এলাকার লোক তাকে বাধা প্রয়োগ করে এলাকা থেকে বিতারিত করে। সে মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চিকিৎসা দেওয়া হবে বলে অনেকের কাছে থেকে হাজার হাজার টাকা নিয়ে ধান্দাবাজি করায় তারপ্রতি এলাকায় অনেকেই ক্ষিপ্ত রয়েছে। তারা আরো বলেন, বর্তমানে মোঃ ইউসুফ মাঝি আব্দুল্লাহ স্ব-মিল নামে একটি প্রতিষ্ঠান তৈরী করলে সেখানে বাঁধা প্রাপ্ত করছেন ধর্ম ব্যবসায়ী ভন্ড কবিরাজ মানুষ ঠকানো ধোকাবাঁজ আঃ হক মাঝি সে বিভিন্নভাবে ইউসুফ মাঝিকে স্ব-মিল করতে বাঁধা দিচ্ছে এবং এলাকার বাহিরের একটি কুচক্রী মহল তার সাথে জরিত রয়েছে এভাবে একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এরই প্রতিবাদে শিক্ষক আব্দুল হকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন স্ব-মিল মালিক ইউসুফ মাঝি ও এলাকাবাসী ।সেখানে বিভিন্ন টিভি চ্যানেল,একাধিক জাতীয় প্রিন্ট মিডিয়া, স্থানীয় পত্রিকা ও বরিশালের আঞ্চলিক পত্রিকার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।এলাকার কয়েক’শ জনসাধারণ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সবাই এই ধর্ম ব্যবসায়ী ভন্ড কবিরাজের বিচারের দাবি জানায়।এবিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুল হক এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ প্রতিষ্ঠানটি ১৩ বছর ধরে চলছে কিছু ছাত্র আছে বর্তমানে, ভবিষ্যতে আরও ছাত্র বাড়বে জেলা বোর্ডের ৬০,০০০ হাজার টাকা অনুদান পেয়েছি এছাড়া আর কিছুই পাইনি।এক পর্যায়ে সংবাদকর্মীদের সাথে অর্থনৈতিক লেনদেন করতে চেয়ে প্রতিষ্ঠানটি টিকিয়ে রাখার প্রস্তাব রাখে তাতে তিনি ব্যার্থ হন।