রাকিব হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি ভোলা থেকে :
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাফিজল হকের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী লিজা বেগন কে ইয়ানুর নামের দুষ্ট মহিলার সহযোগিতায় দুলাল নামের এক ড্রাইভার কতৃক ধর্ষণের দরুন অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনা স্থানে গেলে এলাকার জনগন বলে দুষ্ট মহিলা ইয়ানুর বিগতোদিনও বিভিন্ন মেয়েদের কৌশল করে এইসব সমস্যার মধ্যে ফালায়, এমন কি সে এর আগেও একটি মেয়েকে কয়েকজন ছেলেদের দিয়ে একটি মেয়েকে দর্শন করায়, সেই মামলায় ইয়ানুর নামের এই দুর চরিত্রা মহিলা এখন সেই মামলায় হাজিরা দেয়।
শাফিজলের স্ত্রী, মেয়ের এরূপ খবর শুনে ২৭ শে নভেম্বর স্টোক করে মারা যায়।
তবে যে দুলাল নামের নরপশু এহেন ধর্ষণ কারী
করেছে তা ধর্ষীতার প্রতিবেশী ইয়ানুর নামের এই মহিলার মাধ্যমে বলে ভুক্তভোগীর অভিযোগ।
ধর্ষিতা লিজা বেগম বলেন, দুলাল নামের এই ট্রাক ড্রাইভার ইয়ানুর বেগম এর বাড়ির সামনেই দির্গদিন যাবত এই জায়গায়ই কাজ করতেন, তার বাড়ি লালমোহন সে ইয়ানুর বেগমকে বলে সে আমাকে পছন্দ করেন, তখন ইয়ানুর আমাকে তার পছন্দের কথা বললে আমি অসিকার করি এবং ইয়ানুর বেগম বিভিন্ন কৌশল করে, আমাকে তাদের বাড়িতে নিতো সে আমাকে তার ঘরের ভিতর আটকিয়ে ঐ ছেলেটির হাতে তুলে দিয়ে ঘর থেকে বেড় হয়ে যেতো, তখন ই ছেলেটি আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষন করতো এই ভাবে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ দিন যাবত।
আর যখন আমার খারাপ অবস্থা দেখে আমার মা আমাকে জিজ্ঞেস করলে আমি আমার মাকে বলি, আমার মা আমার এই অবস্থা দেখে চিন্তায় চিন্তায় স্টক করে এবং সেদিনই মারা জান, আমি ইয়ানুর বেগম ও দুলাল এর বিচার চাই।
ধর্ষক কে সহযোগিতা করা মহিলা ইয়ানুর কাচিয়া ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা, মোঃ আজিজুল এর স্ত্রী।
ইয়ানুর নামের এই মহিলার নামে এলাকায় এমন আরও অনেক অভিযোগ পাওয়া যায়। তবে ভুক্তভোগী পরিবার এবং এলাকার জনগন বলেন আমরা এর বিচার চাই।