৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

খোকসায় আ. লীগের সম্মেলন শুরুর আগেই সংঘর্ষ আহত ১৫

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ২৫, ২০১৯
খোকসায় আ. লীগের সম্মেলন শুরুর আগেই সংঘর্ষ আহত ১৫

Manual8 Ad Code

অপূর্ব রবিন,বিশেষ প্রতিনিধিঃ বহুল আলোচিত কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন শুরুর আগেই সভাস্থলের চেয়ার দখলকে কেন্দ্র করে দ্বিধা-বিভক্ত নেতা কর্মীদের মধ্যে সংর্ঘষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। উত্তেজিত কর্মীরা ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন পয়েন্টে দুই পক্ষ অবস্থান নিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) দুপুর ২টায় খোকসা-জানিপুর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সাত বছর পর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সকাল সাড়ে নয়টার আগেই জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খানের অংশ ও কুষ্টিয়া ৪ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম আলতাফ জর্জের সমর্থক ও নেতা কর্মীরা সভাস্থলের চেয়ার দখলের চেষ্টা করে।

Manual5 Ad Code

এ সময় হলুদ গেঞ্জি পরা এমপি সমর্থিত বাবুল আখতারের কর্মী-সমর্থকদের সাথে সাদা গেঞ্জিপরা সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র তারিকুল ইসলামের সমর্থকদের সাথে সংর্ঘষ বাধে। বৈঠা ও দেশীয় আস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তারা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু করে।

মুহূর্তের মধ্যে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে খোকসা ইউনিয়নের ক্লাবমোড়, তেল পাম্প, বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন পয়েন্টে দুই দলের কর্মী সমর্থকেরা লাঠি সোটা নিয়ে অবস্থান নেয়। এ ঘটনার পর সভাস্থল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

Manual2 Ad Code

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী জেরীন কান্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নূরানী ফেরদৌস দিশা চিকিৎসাধীন আহতদের দেখতে যান।

সম্মেলনস্থলে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন হওয়া না হওয়া নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন কমিটির সদস্য আরিফুল আলম তসর ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবুল আখতার।

সম্মেলন কমিটির সদস্য জানান, হামলার পর আহত কর্মী সমর্থকদের নিয়ে তারা ব্যস্ত রয়েছে। সম্মেলন হওয়া না হওয়ার বিষয়ে পরে জানাবেন।

Manual2 Ad Code

অপর দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবুল আখতার জানান, কেন্দ্রীয় নেতারা জেলায় অবস্থান করছেন। নির্ধারিত সময়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সভাস্থলে হামলায় আহত জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খানের ভাতিজা ও যুবলীগ নেতা রবিন খান (২৮), জয়নাল মোল্লা (৫৫), শ্রমিক লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ওরফে সাইদুল (৪৩), আকাশ (১৮), আছিব (১৬), উজ্জল (৪৮), সাগর (২৬), নয়ন (৩০), লিটন (৩০), জিহাদ (১৭), দুলাল (২৮), মতিন শেখ (৩৫), হযরতকে (৩২) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ছাড়া বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

খোকসা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবিএম মেহেদী মাসুদ বলেন, গুরুত্বপূর্ণ আট পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া সম্মেলনস্থলে চারিদিকে সাদা পোশাকের পুলিশ রাখা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

কেন্দ্রীয় নেতারা সভায় যোগ দেবেন বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।