স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার
চাঁপাইনবাবগঞ্জে দাঁড়িপাল্লার ব্যানার-ফেস্টুন পুড়িয়ে ও ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার ০৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় এসব ব্যানার-ফেস্টুন পোড়ানোর ঘটনা ঘটে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে দাঁড়িপাল্লার ব্যানার-ফেস্টুন পুড়িয়ে ও ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ।
এ নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ করা হবে। প্রতিপক্ষ প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরাই এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-০৩ (সদর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও ঢাকা দক্ষিণ মহানগর জামায়াতের আমীর নুরুল ইসলাম বুলবুল।
তিনি সময় সংবাদকে বলেন, ‘সকালে আমার নির্বাচনী বিভিন্ন এলাকায় ফেস্টুন পোড়ানো ও ছিঁড়ে ফেলা দেখতে পেয়েছেন কর্মী-সমর্থকরা। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের অন্ধকারে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর লোকজন এমন ঘৃণিত কাজ করেছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
জামায়াত নেতা বুলবুল আরও বলেন, ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে-পুড়িয়ে দাঁড়িপাল্লার বিজয়কে আটকে রাখা যাবে না। আমরা এ ঘটনায় নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের ধৈর্য ধারণ করতে বলেছি। আশা করছি, প্রতিপক্ষ প্রার্থী তার কর্মী-সমর্থকদের এমন কাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। পাশাপাশি রিটার্নিং কর্মকর্তাকেও এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই। প্রচারণার প্রথম দিনেই এমন ঘটনা নির্বাচনী পরিবেশকে বিঘ্নিত করবে বলে মনে করেন জামায়াত প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুল।
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের মুখপাত্র অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হোসেন তরফদার সময় সংবাদকে বলেন, ‘এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-০৩ আসনে মোট পাঁচ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হারুনুর রশীদ, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ঢাকা দক্ষিণ মহানগর জামায়াতের আমীর নুরুল ইসলাম বুলবুল, গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মনিরুল ইসলাম এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির মো. ফজলুর ইসলাম খাঁন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-০৩ (সদর) আসনের মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭৯ জন। নারী ভোটার দুই লাখ ৩১ হাজার ৮২৯ জন ও পুরুষ ভোটার দুই লাখ ৩৬ হাজার ৬৫০ জন।