৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

সাতক্ষীরায় প্রতিনিয়ত দেখা মিলছে নতুন নতুন অচেনা মূখের!

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
সাতক্ষীরায় প্রতিনিয়ত দেখা মিলছে নতুন নতুন অচেনা মূখের!

Manual4 Ad Code

এম আকাশ, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরোঃ  শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে আবারো কথিত অচেনা পাগলের তৎপরতা বেড়ে গেছে। তবে ভুক্তভোগীদের চোঁখ রোহিঙ্গাদের দিকে,  কেননা কোনো কোনো পাগলদের কথার ফুলঝুরিতে মিল খুজে পাওয়া যাচ্ছে না সোনার বাংলার কোনো আঞ্চলিক ভাষার সাথেও। তাহলে সহজ ভাবেই এদের রোহিঙ্গা শরণার্থী ভাবাটা দোসের কিছু বলে মনে করছে না সাধারণ মানুষ।  আজ এমন একটা দলের সন্ধান পাওয়া গেছে সাতক্ষীরা শহরের খুব নিকটবর্তী ব্রহ্মরাজপুর বাজারের কয়েকগজ দুরের একটা বাড়িতে, সন্ধ্যায় যারা পানি খাওয়ার নাম করে বাড়িতে প্রবেশ করেছিলো, তারা আবারো একই বাড়িতে সুযোগ বুঝে প্রবেশ করেছে রাত ১০:০০ টার কাছাকাছি সময়ে, এবার তাদের ভাষ্য এমনিতেই প্রবেশ করেছিলাম, আমরা কোনো ছেলেধরা কিংবা রোহিঙ্গা নই। তাদের তো কেউ রোহিঙ্গা বলে দোষারোপ করেনি তবে কেনই বা তারা নিজেদের রোহিঙ্গা নই বলে দাবী করছে, তাহলে তারা কি আসলেই রোহিঙ্গা প্রশ্ন সাধারণ জনগনের। যদি তারা রোহিঙ্গা হয়ে থাকে, তাহলে সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্নপ্রান্তে এদের সংখ্যা যে শতক পেরিয়ে যাবে এটা সামান্য পরিসংখ্যানে উপলন্ধি করা যায়। সাতক্ষীরা জেলার ভাবমূর্তি যে এরা বিনষ্টি করতে পারে এমন টাই ধারনা বিভিন্ন মহলের, রোহিঙ্গা মানেই যে অশিক্ষিত এবং একমাত্র ইয়াবাজাতীয় নেশা তৈরির কারখানা মায়ানমায়ের উগ্র জনগোষ্ঠী তারা ইতিমধ্যেই তার প্রমান দিয়েছে, বিভিন্ন পরিসংখ্যানেও সেটা স্পষ্ট। তাদের সন্তান জন্মদানের হার ইতিমধ্যেই দেশের ভাবুক জনমনে নীতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তারা শরণার্থী শিবির ছেড়ে পালিয়ে বিভিন্ন বেশে আশ্রয় খুঁজে নিচ্ছে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে,জড়িয়ে পড়ছে অপরাধ কর্মকান্ডে তাদের উপদ্রবে কখনো কখনো নিরীহ – অসহায় এই দেশের নাগরিককেউ ভুলবশত রোহিঙ্গা ভেবে জনরোষের স্বীকার হতে হচ্ছে, পরিস্থিতিভেদে স্থান হচ্ছে হাসপাতালে। মাঝে মাঝে নির্মম হত্যা করতেও দ্বিধা বোধ করছে না, সাধারণ মানুষ। এক কথায়, রোহিঙ্গা শব্দটি সকলে এখন ঘৃনার সাথে উচ্চারণ করছে, তাদের অপকর্ম দেখে। তারা যেনো বহুরূপী এক অনাড়ম্বর জাতি!  সাতক্ষীরা জেলাকে “ক্লিন সাতক্ষীরা, গ্রিন সাতক্ষীরা ” এর স্বপ্ন বাস্তবায়ন লক্ষ্যে এদের কে বিতড়িত করাও একান্ত জরুরী।  কেননা এদের পদচারনা বেড়ে গেলে, অভিভাবক মহল তার সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে অনিহা দেখাবে, বেড়ে যেতে পারে নিরক্ষরতার হার, পিছিয়ে যেতে পারে সাতক্ষীরা। এজন্য সচেতন মহলের দাবী, সাতক্ষীরা প্রশাসন অপরাধ দমনে যেমন জিরো টলারেন্স ঘোষনা করছে, ঠিক একই ভাবেই অচেনা পাগল নামের বুদ্ধিধর রোহিঙ্গাদের বিষয়ে সর্বোচ্চ নজরদারিতে রাখুক।