মেহেদী হাসান বাবু, স্টাফ রিপোর্টার:- গাইবান্ধা সদরের দক্ষিন বানিয়ারজান গ্রামের আমজাদ হোসেনের ২য় পুত্র অনিক আহমেদ হৃদয় (২২) ।লেখা পড়া করেন ঢাকা ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণসংযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে। বড় ভাইয়ের শশুরবাড়ীর সাথে পারিবারিক ভাবে সমস্যা হওয়াতে মিথ্যা ভাবে মামলায় নাম দেয়া হয় তার নামেও।
মামলা দেয়ার ফলে জামিন নিতে হবে জানতে পেরে ঢাকা হতে ১১ জানুয়ারী ২৫ইং তারিখ গাইবান্ধার উদ্দেশ্য রওনা দেন আলহামরা বাস যোগে।
ভুক্তভোগীর মা এবং মামলার কাগজ পর্যালোচনা করে জানা যায়,গাইবান্ধা সদর উপজেলার দক্ষিন ধানঘরা গ্রামের ফাইমা বেগম (৪৪) এর দেয়া গাইবান্ধা সদর থানার মামলা নং ১১ ,তারিখ ৯-১-২৫ইং,জিআর ১১/২৫ ।
অত্র মামলায় ২নং আসমী গত ১২-১-২৫ ইং তারিখে অনান্য আসামি সহ আত্নসমার্পন করতে আসলে অনিক আহম্মেদ হৃদয়-কে এই মামলায় বিজ্ঞ সদর থানার আমলী আদালত জামিন নামন্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন।

এরআগে পারিবারিক কলহের জেরে ২নং আসামীর বড় ভাই আসিফ ফয়সাল লেলিন তার স্ত্রীরর পরিবারের সহিদ দীর্ঘ দিন ধরে মামলা মোকাদ্দমা চলিয়া আসিতেছিল । এরই জেরে
হৃদয়কে আসামী করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে তার মা বলেন, ঘটনার দিন আমার ছোট ছেলে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা সফরে ৮ তারিখ হইতে-১১ জানুয়ারী পর্যন্ত সে সাজেক ও সেন্টমার্টিন ছিলেন।
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যপক এবং গণসংযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রধান আফতাব হোসাইন স্বাক্ষরিত প্রত্যয়ন পত্রে দেখা যায়,বাদিনীর উল্লেখিত তারিখ ও সময়ে ২নং আসামী অনিক আহমেদ হৃদয় ৮ তাং হতে ১১ তাং পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত শিক্ষা সফরে সাজেক ও সেন্টমার্টিন অবস্হান করছিলেন।
এ বিষয়ে গণমাধ্যম কর্মীরা জানান, শিক্ষানবিশ সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলায় জরানোর কারনে তাকে জেল হাজতে যেতে হল ,মিথ্যা মামলা প্রতাহার সহ মুক্তির দাবী করেন । আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্তক করে বলেন তদন্ত না করে নিরপরাধ ব্যাক্তিদের যেন মামলায় না জরানো হয় ।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার ওসি জানান,বাদীনির এজাহারের ভিত্তিতে মামলাটি রুজু করা হয়। আমি বিষয় টি অবগত আছি, ২নং আসামী লেখাপড়া জন্য ঢাকায় অবস্থান করেন। তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।