১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

নয়াপল্টনেই সমাবেশের অনুমতি দেবে প্রশাসন, প্রত্যাশা রিজভীর

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৫, ২০২২
নয়াপল্টনেই সমাবেশের অনুমতি দেবে প্রশাসন, প্রত্যাশা রিজভীর

Manual6 Ad Code

 

স্টাফ রিপোর্টার ঢাকা মহানগর : সমাবেশের জন্য নয়াপল্টনকেই নেতাকর্মীরা নিরাপদ মনে করায় প্রশাসন সেখানেই অনুমতি দেবে বলে প্রত্যাশা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বেইলি রোডে ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশের লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এদিন ১০টার দিকে সমাবেশের প্রচার কমিটি লিফলেট বিতরণ করেন।

Manual2 Ad Code

ঢাকার গণসমাবেশ সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, যেভাবে দেশের ৯টি বিভাগে গণসমাবেশ হয়েছে, তেমনভাবে ঢাকা বিভাগের গণসমাবেশ হবে। এটা তো জাতীয় সমাবেশ না। এখানে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে নেতাকর্মীরা আসবেন। কিন্তু সরকার সেটাকে ব্যাহত করতে চাচ্ছে। এই কর্মসূচিতে হানা দেয়া হচ্ছে। এসব তো করে ফ্যাসিস্ট, কর্তৃত্ববাদী ও নাৎসি সরকার। আজকে সেটাই করছে আওয়ামী লীগ সরকার।

Manual4 Ad Code

বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ১০ ডিসেম্বর বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নানা তৎপরতা চালাচ্ছে। তারা আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

দেশে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো নষ্ট করে ফেলা হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আজ দেশের মানুষের নাগরিক স্বাধীনতা নেই। দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন নেই।

রিজভী বলেন, আজকে এসব চক্রান্ত ও গ্রেফতার করে বিএনপির কর্মসূচিতে জনতার ঢল থামানো যাবে না। আমরা যাদের লিফলেট দিচ্ছি তারা বলছেন, আমাদের সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন। এই যে তাদের মনের আকুতি ও আকাঙ্ক্ষা সেটা কিন্তু সরকার বন্ধ করতে পারবে না।
নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রতিষ্ঠা করা বিএনপির আন্দোলনের লক্ষ্য বলে জানান বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব।

তিনি বলেন, আজকে দেশের মানুষের নাগরিক স্বাধীনতা নেই। দেশে গণতন্ত্র নেই। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো নষ্ট করে ফেলা হচ্ছে। আজকে বিচার বিভাগ, প্রশাসন সর্বত্রই দলীয়করণ করা হয়েছে। সুশাসন ও গণতন্ত্রের জন্য যে ধরনের প্রতিষ্ঠান থাকা দরকার সেগুলো নেই।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সহসম্পাদক প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুল, কেন্দ্রীয় নেতা কাজী আবুল বাশারসহ আরও অনেকে।

Manual6 Ad Code