১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানার কালুরঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেওয়া মাদক ব্যবসায়ী হানিফকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশ।

প্রকাশিত নভেম্বর ২৩, ২০২২
চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানার কালুরঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেওয়া মাদক ব্যবসায়ী হানিফকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশ।

Manual7 Ad Code

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

Manual4 Ad Code

চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানার কালুরঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেওয়া সেই মাদক ব্যবসায়ী হানিফকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় তার সহোদর তৃতীয় লিঙ্গের ইয়াসিনকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

২২ নভেম্বর মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সীতাকুণ্ড থানাধীন ভাটিয়ারি এলাকায় ঢাকামুখী একটি বাস থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ আলী হোসেন।

তিনি বলেন, ঢাকার একটি বাসে করে পালানোর সময় হানিফ ও তার সহোদর ইয়াসিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞেসাবাদে বিস্তারিত জানা যাবে।

Manual3 Ad Code

চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুর রহমান জাতীয় সাপ্তাহিক অভিযোগ পত্রিকাকে বলেন, নগর গোয়েন্দা পুলিশ পালানো হানিফকে রাতে গ্রেফতার করেছে। বিষয়টি গোয়েন্দা পুলিশ আমাদের নিশ্চিত করেছে।

গত শনিবার রাতে গ্রেফতারের পর চট্টগ্রাম নগরে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হানিফকে ছিনিয়ে নিয়ে যান তার সহযোগী ও তৃতীয় লিঙ্গের লোকজন। হানিফের বিরুদ্ধে থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় নগরের কালুরঘাট ব্রিজের সামনে থেকে পাঁচ হাজার ইয়াবাসহ হানিফ ও মহিউদ্দিন শরীফকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরে কালুরঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে দুজনকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ফাঁড়িতে হামলাকারীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে আহত হন হানিফের বোন নাজমা আক্তার। রাতেই হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। আহত হন পুলিশের দুই সদস্য।

Manual1 Ad Code

এ ঘটনায় চান্দগাঁও থানায় কালুরঘাট পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) শরীফ রোকনুজ্জামান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি ছিনিয়ে নিতে হানিফের সহোদর তৃতীয় লিঙ্গের ইয়াছিনের নেতৃত্বে কিছু লোক পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালান। তাদের সঙ্গে হানিফের সহযোগীরাও ছিলেন। তারা পুলিশ ফাঁড়িতে ভাঙচুর করে সাড়ে চার লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। পুলিশের ব্যবহৃত সরকারি মোবাইল ফোন ও ওয়াকিটকি ছিনিয়ে নিয়ে যান। তারা পুলিশের অস্ত্র ছিনতাইয়ের চেষ্টাও করেছেন।