১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

অভিযোগ অস্বীকার করলেন বিদায়ী তথ্যসচিব

admin
প্রকাশিত অক্টোবর ১৭, ২০২২
অভিযোগ অস্বীকার করলেন বিদায়ী তথ্যসচিব

Manual1 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

শেখ তিতুমীর (পিআইডি) ঢাকা: সরকার বিরোধীদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সদ্য বিদায়ী তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মো. মকবুল হোসেন। সোমবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ের সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমি আমার জীবনে নীতি নৈতিকতার সঙ্গে কখনও কম্প্রোমাইজ করিনি। এ সময় তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সরকার বিরোধীদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ অস্বীকার করেন।েসাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মকবুল হোসেন দাবি করেন, তারেক রহমানকে আমি সরাসরি কখনও দেখিওনি। বিভিন্ন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো বিষয় যদি আপনাদের কাছে আসে তাহলে পত্রিকায় প্রকাশ করবেন এবং খুঁজে বের করে প্রশ্ন করবেন।

আবেগাপ্লুত হয়ে বিদায়ী তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, এ রকম অবস্থার জন্য আমি কখনও প্রস্তুত ছিলাম না। সবাই ভালো থাকবেন, দোয়া করবেন।

এর আগে রোববার (১৬ অক্টোবর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মকবুল হোসেনকে সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এর ৪৫ ধারা অনুযায়ী বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে অবসরের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

Manual2 Ad Code

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মকবুল হোসেন কে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ধারা ৪৫ অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো।
সরকারি চাকরি আইনের ৪৫ নম্বর ধারায় বলা হয়, কোনো সরকারি কর্মচারির চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর যে কোনো সময় সরকার, জনস্বার্থে, প্রয়োজনীয় মনে করলে কোনো কারণ না দর্শিয়ে তাকে চাকরি থেকে অবসর প্রদান করতে পারবে, তবে শর্ত থাকে যে, যে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ, সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

Manual6 Ad Code

২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর অবসরে যাওয়ার কথা ছিল মো. মকবুল হোসেনের। এক বছর আগেই তাকে অবসরে পাঠালো সরকার।

Manual4 Ad Code