৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

দীর্ঘ ১৫ বছর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো:এনামুল হক বর্তমানে অবহেলিত

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৬, ২০২১
দীর্ঘ ১৫ বছর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো:এনামুল হক বর্তমানে অবহেলিত

Manual5 Ad Code

দীর্ঘ ১৫ বছর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো:এনামুল হক বর্তমানে অবহেলিত। তবু আওয়ামীলীগ যেন হৃদয়ের স্পন্দন।

Manual5 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার নেত্রকোনা: নেত্রকোনা পূর্বধলা উপজেলার ৯নং খলিশাউড় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ এনামুল হক তালুকদার,দীর্ঘ ১৫ বছর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি অবহেলিত তবু আওয়ামী লীগ এর জন্য সব সময় নিবেদিত।

উল্লেখিত ০৩/০১/১৯৯৬ইং
তারিখে ইচুলিয়া বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে উক্ত কমিটি গঠনতন্ত্রভাবে রুপ পায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ডি পু টি কমন্ডার মো: হিরা মিয়া ‘ মুক্তযোদ্ধা সংসদ নেত্রকোনা, স্বপন জোয়ারদার সহ-সভাপতি জেলা আওয়ামীলীগ নেত্রকোনা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ‘ ইমাম হাসান” সহ -সভাপতি” থানা আওয়ামীলীগ পূর্বধলা উপজেলা, যুদ্ধ চলাকালীন কমন্ডার-সিরাজুল ইসলাম তালুকদার” বর্তমান থানা কমান্ড মুক্তিযোদ্ধা সংসদ পূর্বধলা উপজেলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা -আ: কাদির খান” মুক্তযোদ্ধা সংসদ থানা কমান্ড (অর্থ) পূর্বধলা উপজেলা, সাবেক সভাপতি -নুরুল ইসলাম খান পাঠান (সৌকত) ছাত্রলীগ পূর্বধলা উপজেলা, জাহিদুল ইসলাম (সুজন) সাবেক যুগ্মসাধারণ সম্পাদক” ছাত্রলীগ পূর্বধলা উপজেলা ও বর্তমান চেয়ারম্যান পূর্বধলা উপজলা, এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ,যুবলীগ এর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Manual2 Ad Code

তৎকালীন ৯ নং খলিশাউর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মোঃ এনামুল হক তালুকদার বলেন, ১৯৯৬সালের ছাত্রলীগ কমিটি গঠনের মাধ্যমে নিজস্ব অর্থায়নে, এই ইউনিয়নে সর্বপ্রথম অফিস স্থাপন করি। পরে তৎকালীন জনপ্রিয় নেতা এবং আওয়ামী লীগের কান্ডারী আলহাজ্ব ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল (বীরপ্রতীক) বতর্মান চার চারবারের সফল নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য ১৬১ নেত্রকোণা-৫ পূর্বধলার, এমপি মহোদয়ের অনুদানে অফিস সরঞ্জামাদি (চেয়ার টেবিল ) অনুদান পাই।

আর্থিক অভাবের কারণে পূর্বধলা থেকে প্রায় ৬-৭ কিলো রাস্তা এসব সরঞ্জামাদি(চেয়ার টেবিল) মাথায় বহন করে অফিসে নিয়ে আসি।
তিনি আরো বলেন, তৎকালীন এসব এলাকায় আওয়ামী লীগের নামমাত্র ছিলনা, পার্শ্ববর্তী এলাকা গুলোতে দিনের পর দিন,রাতের পর রাত,না খেয়ে পড়ে রয়েছি দলের প্রচারের স্বর্থে।

Manual6 Ad Code

দলের প্রতিটা মিটিং-মিছিলে নিজস্ব অর্থ ব্যয় করে, গাড়ি ভাড়া দিয়ে লোক নিয়ে গেছি। নিজের জমি বিক্রি করে দলের জন্য এসব করেছি। আজ আমি সর্বশান্ত,তবু দলকে ভালোবাসি, আজীবন ভালোবেসে যাব।

২০০১ইং সনে ৫ই ডিসেম্ব তৎকালীন আওয়ামী লীগের প্রতিবাদী কন্ঠস্বর, দলের দরদী কান্ডারী,জননেতা ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল (বীর প্রতীক) আমাদের ইচুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানের, প্রধান অতিথি হিসেবে আগমন উপলক্ষে, প্রতিপক্ষের ক্ষুভের শিকার হই আমরা। স্কুলসহ আমাদের অফিসের চতুর্পাশে ১৪৪ ধারা জারি করে দাপটে প্রতিপক্ষরা। যার ফলে টানা ১৪ ঘন্টা আমার অন্য অন্য সদস্য ভাইদের নিয়ে অফিসেই কাটাতে হয়েছে। এক ফোটা পানি পর্যন্ত খেতে পারিনি।

আমি ২০০১ সনে ঢাকা সার্কিট হাউজ ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা মিটিং এ পর্যন্ত নিজের অর্থ ব্যয় করে সহপাঠীদের নিয়ে গেছি। প্রতিটা দিবস উদযাপন উপলক্ষে স্কুল প্রতিষ্ঠানগুলোর বারান্দায়,ধুলি বালির মাঝে রাত কাটিয়েছি। বালিশের পরিবর্তে মাথার নিচে দিয়েছি, শক্ত ইটের বালিশ। তবু দুঃখ নেই,দুঃখ শুধু একটাই, আমার আত্মার সাথে মিশে থাকা আওয়ামী লীগ এই দলটির ভিতরে, প্রবেশকারী ভুঁইফোড় নেতাদের স্থান,অনেক ঊর্ধ্বে আমরাও তাদের কাছে আজ পাত্তা পাই না। বিএনপি জামাত শিবির থেকে উঠে আসা নেতারা, দাপটে আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা যেন তাদের কাছে খুবই ম্লেচ্ছ।

এ ব্যাপারে উল্লেখিত উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের সাক্ষাৎকারে, তিনিরা বলেন তৎকালীন এসব ছেলেরা, অত্র এলাকায় দলের জন্য নিবেদিত ছিল। দলের জন্য তাদের আত্মমনযোগ দেখে, আমরাও তাদেরকে উৎসাহ দিয়েছিলাম।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, তৎকালীন ছাত্রলীগের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, তাদের বক্তব্য হৃদয় স্পর্শীবার মত। দলের কাছে যেন তারা ফেরারী আসামী। আরো অসংখ্য মানুষের বক্তব্যে এসব তথ্য উঠে এসেছে। তারা সকলেই চায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে অনুসরণ করে, বর্তমান জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে, এসব বিএনপি জামাত শিবির থেকে উঠে আসা ভুঁইফোড় নেতাদের, আওয়ামী লীগের সুন্দর পরিবেশ থেকে বহিষ্কার করার জন্য, তাদের জোর দাবি। তাদের বক্তব্য, উড়ে আসা এসব নেতাদের আওয়ামী লীগের প্রবেশ করার কারণেই, আজকাল বিএনপি-জামাত-শিবিরের দল পাকিস্তানি দালালদের চক্র, আবার মাথাজাড়া দিয়ে উঠছে। কারণ এসব ভঁইফোড় নেতাদের, মুখে নৌকা য,ভিতরে ধানের শীষ। তারা ভিতরে ভিতরে বর্তমান উন্নয়নের রূপকার,ডিজিটাল বাংলার কারিগর, জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে বেড়াচ্ছে।

তাদের শেষ বক্তব্য, এসব ভঁইফোড়দের, সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত বরখাস্ত করে,দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য। এবং ইউনিয়ন ছাত্রলীগের দীর্ঘ ১৫ বছর দায়িত্বরত বর্তমান অবহেলিত, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ এনামুল হক তালুকদারের মত ত্যাগী ও দলের জন্য সর্বশান্ত ব্যক্তিদের পুন মর্যাদা দেওয়ার জন্য সকলের জোর দাবি।

Manual7 Ad Code