৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

বায়েজীদ থানার শ্রেষ্ঠ সৎ ও আদর্শবান ওসি আতাউর রহমান খন্দকার থানা প্রশাসনের এক উজ্জল নক্ষত্র

admin
প্রকাশিত জুলাই ২৭, ২০১৯
বায়েজীদ থানার শ্রেষ্ঠ সৎ ও আদর্শবান ওসি আতাউর রহমান খন্দকার থানা প্রশাসনের এক উজ্জল নক্ষত্র

Manual3 Ad Code

আব্দুল করিম চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি ঃ-
চট্টগ্রাম বায়েজীদ থানা প্রশাসনের উজ্জল নক্ষত্র ওসি আতাউর রহমান খন্দকার । চট্টগ্রামে যতজন ওসি (বায়েজীদ ) থানায় এই পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের সবার চেয়ে মেধাবী,নিরপেক্ষ আর পরিশ্রমী সাহসী পুলিশ অফিসার হচ্ছেন বর্তমান দায়িত্ব প্রাপ্ত ওসি আতাউর রহমান খন্দকার ।সকল অপরাধীদের সনাক্তকরন, শক্তির উৎস সহ নিরপেক্ষ ভুমিকায় আদালতে প্রেরণ যাদের হাতে ন্যস্ত থাকে তারা হলো পুলিশ বাহিনী। সাংবাদিকতার ছোট্ট জীবনে পুলিশ বাহিনী নিয়ে অনেক লেখা পড়েছি,তবে পুলিশ বাহিনীর মধ্যে অনেক সৎ নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা রয়েছে যারা জীবন বাঁজি রেখে সততার সাথে দায়ত্বি পালন করে আসছেন। আজ এমনই একজন সাফল্যের বরপুত্রকে নিয়ে আমাদের দৈনিক সোনালী খবর পত্রিকার আজকের এই প্রতিবেদন। আর তিনি হচ্ছেন বায়েজীদ থানার বর্তমান ওসি আতাউর রহমান খন্দকার। পুলিশ ঘুষ খায়না এমন দৃষ্টান্ত খুঁজে পাওয়া বিরল। আর এই বিরল দৃষ্টান্তই স্থাপন করেছেন তিনি।পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল থেকে তিনি সকল পার্থীব লোভ-লালসা ত্যাগ করে ধার্মিক সৎ যোগ্য ন্যায় পরায়ন ও আদর্শের প্রতিক হিসেবে পুলিশ বিভাগে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন।তাই খুব অল্প দিনেই তিনি এলাকাবাসীর মন জয় করে নিয়েছেন।রিকশা চালক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিজীবী মহল তাদের এক বাক্যে সৎ মানুষ হিসেবে চেনেন ও জানেন। উনার (আতাউর রহমান খন্দকার ) এর কাছে সহযোগীতা চেয়ে সহযোগীতা পাননি এমন লোক খুঁজে পাওয়া দূরুহ।খোজ নিয়ে জানা যায়, দিন মজুর ভিখারী থেকে শুরু করে সব শ্রেণি পেশার মানুষ উনার (আতাউর রহমান খন্দকার ) এর সাথে খুব সহজে দেখা করে নিজের সমস্যা তুলে ধরতে পারেন। তিনি প্রতিটি ব্যক্তির সমস্যা হাসি মুখে আন্তরিকতার সাথে গুরুত্ব দিয়ে শোনেন এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। সর্বদা হাস্যজ্জল ও বিনয়ী এই ব্যক্তির কাজের বিনিময়ে কখনো কারো কাছ থেকে একটি পয়সা ঘুষ নিয়েছেন এমন দৃষ্টান্ত খুজে পাওয়া যাবেনা। তিনি সৎ উপর্জনের অর্থ দিয়ে পরিবার পরিজনের ভরন-পোশন করে থাকেন। সকল প্রকার হারাম উপার্জন ত্যাগ করে সদা-সর্বদা হালাল পথে নিজেকে সপে দিয়েছেন। তিনি বিগত ১৭।০৫।২০১৮ ইং তারিখে দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ সি এম পি চট্টগ্রাম বায়েজীদ থানায় দায়িত্বভার গ্রহণ করেন । বায়েজীদ থানায় দায়িত্ব নেওয়ার পর আইন শৃঙ্খলা যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে।বায়েজীদ থানায় যোগদান করেই তিনি সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষনা করেন। তিনি থানার চৌকস অফিসারদের ( মেধাবী ও সাহসী প্রীটন সরকার – ওসি তদন্ত, – ওসি অপারেশন- মো: সাখাওয়াত হোসেন, এস আই আজাদ,জহিরুল ,আফতাব , শরীফুল ইসলাম, এস.আই মোঃ সাইফুল ইসলাম, এস. আই শাহৎদাত , ) সহ অন্যন্যদের নিয়ে রাত দিন কঠোর পরিশ্রম করেন, নিজের সাহসী পদক্ষেপ আর কুটকৌশলে বায়েজীদ থানায় মাদকপাচার, যুদ্ধাপরাধী, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী, জাল টাকা ব্যবসায়ী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চোর, ডাকাত, বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ইস্যুতে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারীকে গ্রেপ্তারে বিশেষ অবদান রেখেছেন। প্রশাসনের প্রতি বেড়েছে যেমন মানুষের আস্থা এবং তেমনি অন্যদিকে অপরাধীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন। তবে অধিকাংশ অপরাধীরা প্রশাসনের জালে আটক হয়েছে, এক বছরে প্রাপ্তির শেষ নেই। তাঁর সফলতার কথা না বললেই নয় দেশি বিদেশী ২৫টি আমর্স উদ্ধার, প্রায় আড়াই লক্ষ পিচ ইয়াবা উদ্ধার, একশত কেজি গাঁজা উদ্ধার, এিশ হাজার লিটার চোলাই মদ, ২০০ উপরে সাজা প্রাপ্ত আসামী আটক, দাগী আসামী পঞ্চাশ জনের মতো আটক। এভাবে বিভিন্ন অপরাধের আসামী গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছেন। এই সৎ আদর্শবান পুলিশ অফিসার কমিউনিটিং পুলিশ মিটিং করেছেন পঞ্চাশ বার। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি আছে জানতে চাইলে বলেন সাধারণ মানুষকে সেবা নিশ্চিত করা মডেল থানা হিসেবে তৈরি করতে চাই এই বায়েজীদ থানাকে। তিনি আরো বলেন বৃদ্ধ অসহায় নারী, পুরুষ, অসহায় শিশু এবং বিধবা নারীদের আইনি সহায়তা প্রদান করে পুলিশ যে জনগণের সত্যিকারের বন্ধু সেটাই নিশ্চিত করা আমার লক্ষ্য। তিনি সৎ ও আদর্শের কারণে এই গুণী অফিসার জাতিসংঙ্ঘ পদক পেয়েছেন দুইবার ২০০০ ও ২০১৬ সালে । ভালো কাজের জন্য সি এম পি থেকে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে শ্রেষ্ঠ ওসির পুরষ্কার লাভ করেছেন, শ্রেষ্ঠ ওসি হওয়ার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন এ পুরষ্কার আমার একার নয় এ পুরষ্কার আমার ডিপার্টমেন্টের সকলের। তাই এই পুরষ্কার সবাইকে উৎসর্গ করে দিলাম, দায়িত্বে কর্তব্যে সব অফিসারেরা ন্যায় পরায়ন ছিল বিধায় আজ সফলতা পেয়েছি।ওসি আতাউর রহমান খন্দকার একান্ত স্বাক্ষাতকারে দৈনিক সোনালী খবরকে বলেন পুলিশকে যেন মানুষ ভয় না করে। ওরা যেন ভালোবাসে, সেভাবে কাজ করে সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা অর্জন করতে বলেছেন। কারণ, স্বাধীন দেশের পুলিশ, শোষকদের নয়, ওরা (পুলিশ) জনগণের সেবক। তাই পুলিশের কাজ জনগণকে ভালোবাসা ও দুর্দিনে সাহায্য করা। যেন মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারে।তিনি আরও বলেন আমি যত দিন বেঁচে থাকি যেন সততার পথে থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে মানুষের সেবা করতে পারি।