৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৮ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

বারহাট্টা উপজেলার রৌহা বিলের অবৈধভাবে দখল ও ঘর স্থাপন

admin
প্রকাশিত অক্টোবর ১, ২০১৯
বারহাট্টা উপজেলার রৌহা বিলের অবৈধভাবে দখল ও ঘর স্থাপন

Manual2 Ad Code

 

Manual6 Ad Code

তানজিলা আক্তার রুবি,নেত্রকোনা ঃনেত্রকোনা জেলা বারহাট্টা উপজেলার চিরাম ইউনিয়নের বাদেচিরাম গ্রামের রৌহা বিল ঘিরে কুচক্রীদের একটি সিন্ডিকেট গড়ে ওঠেছে।

Manual5 Ad Code

বাদেচিরাম এর রৌহা বিলের জলমহলটি ২০০৯ এর নীতিমালা মোতাবেক মৎস্যজীবি হিসাবে বাদেচিরাম মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ কে ৬ বছরের মেয়াদে উন্নয়ন প্রকল্প ০৮-১২-১৮ইং জেলা মৎস্য অফিসার, ইউনিয়ন ভূমি অফিসার, সার্হভিয়া সহ হস্তান্তর করেন এবং ইজারাদার সমিতির কালেক্টরে লিজচুক্তি বদ্ধ করেন । রৌহা বিল চিরাম ৩৩ নং স্মারকে উপজেলার ভূমি অফিসার দখল স্থাপন করে যায়।

পরিবর্তিতে রৌহা বিল উপযোগী করার জন্য ইজারাদারা ৩-৪ টাকা ব্যয় করেন।

Manual2 Ad Code

সরকারি রীতি অনুযায়ী বার্ষিক রাজস্ব দিয়ে থাকেন। বাংলা ১৪২৬ সনে যথাসময়ে রাজস্ব দিয়েছেন। রৌহা বিলের এলাকার একটি কুচক্রী মহল দেখা দেয়। সেই কুচক্রী মহলটি বিভিন্নভাবে এবং মন্ত্রীর নাম ব্যবহার করছে। তারা বিলের পাড়ে গাছ ও একটি টিনের চালা স্থাপন করে এবং সেখানে পাহারার জন্য মিলন,সোনা মিয়া, রিপন রয়েছে। মিলন জানায়,তাদেরকে বিল দেখাশুনা করার জন্য মন্ত্রী বলেছেন। এদিকে বিলের বাদে চিরাম মৎস্য জীবি সমবায় সমিতির সদস্যরা বিলে নামতে পাড়ছে না ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। তাছাড়া তারা লক্ষাধিক টাকার মাছ ধরেছে। বাঁধা দিতে গেলে হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। রৌহা বিলের এর বিষয়ে উপজেলা মৎস্য অফিসার তানভীর আহমেদ এবিষয়ের সাথে কোন ভাবেই জড়িত নেই বলে জানান

উপজেলা চেয়ারম্যান কাছে বিলের বিষয়টি জানতে চায়লে তিনি তা অস্বীকার করেন এবং তার কাছে কেউ আসেনি বলে জানান। বাদেচিরাম মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির লিঃ এর সভাপতি সোনাহর চৌধুরী বাদি হয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেন। পাহারাদারদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। জেলা প্রশাসকের কাছে সঠিক বিচার দাবি করছেন বাদেচিরাম মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সদস্যরা ।

Manual8 Ad Code