১৩ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩০শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

নিজ কক্ষেই ইবি শিক্ষিকা রুনা খুন: ৪ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা।

Editor
প্রকাশিত মার্চ ১৬, ২০২৬
নিজ কক্ষেই ইবি শিক্ষিকা রুনা খুন: ৪ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা।

Manual8 Ad Code

নিজ কক্ষেই ইবি শিক্ষিকা রুনা খুন: ৪ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিজ কক্ষেই ইবি শিক্ষিকা রুনা খুন: ৪ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

Manual2 Ad Code

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে নিহতের স্বামী মো. ইমতিয়াজ সুলতান বাদী হয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় এই এজাহার দাখিল করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- মূল ঘাতক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, এবং একই বিভাগের দুই সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও মো. হাবিবুর রহমান।

Manual6 Ad Code

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘বৃহস্পতিবার অভিযোগ জমা পড়লেও আজ শুক্রবার (৬ মার্চ) মামলাটি থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে রুজু করা হয়েছে। ঘাতক ফজলুর রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুলিশের নজরদারিতে রয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।’

Manual3 Ad Code

গত বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে নিজ কক্ষে অবস্থান করছিলেন আসমা সাদিয়া রুনা। এ সময় কর্মচারী ফজলুর রহমান কক্ষে ঢুকে তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। শিক্ষিকার মৃত্যু নিশ্চিত করার পর ঘাতক ফজলুর রহমান নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

Manual1 Ad Code

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাদ জোহর কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

নিহত আসমা সাদিয়া রুনা কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ মোড় এলাকায় বসবাস করতেন। তিনি তিন মেয়ে ও এক ছেলেসহ চার সন্তানের জননী।