খাওয়ার অনুপযোগী দুস্থ্য অসহায় নারীর বরাদ্দের ৩২ টন চাল।
বিশেষ প্রতিনিধি (গাইবান্ধা ) : জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা ২ নং হোসেনপুর ইউনিয়নের ২০২৫-২০২৬ চক্রের ভিডাব্লিউবি (গ্রামীন দুস্থ্য অসহায় নারী আর্থ সমাজিক উন্নয়ন কর্মসূচী)’র উপকারভোগীর ২৬৬ জনের বিপরীতে আগস্ট হতে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ৪ মাসের ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক উত্তোলনকৃত প্রায় ৩২ টন চাল এখন খাওয়ার অনুপযোগী বা নষ্ট হয়ে পড়েছে।
এসকল বরাদ্দের চাল উত্তোলন করে চেয়ারম্যান কর্তৃক মাসের পর মাস অরক্ষিত অবস্থায় হোসেনপুর ইউনিয়নের হাসবাড়ী বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি শ্রেনীকক্ষে রাখা হয়েছে। এতে চাল গুলো মৌসুমী আদ্রতায় নষ্ট হয়ে খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এঘটনায় উপজেলার জুড়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে, সুবিধাভোগীদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করেছে।
গত ৭ অক্টোবর ২০২৫ ইং তারিখে হোসেনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৌফিকুল আমিন মন্ডল টিটু স্বাক্ষরিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে প্রেরণকৃত পত্রে মাধ্যমে জানা যায়, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্তব্যরত হিসাব রক্ষক কাম ক্রেডিট সুপারভাইজার আজাহার আলী’র নাম ভাগাভাগি নিয়ে অফিস ও ইউনিয়ন পরিষদের একে অপরের টানা টানিতে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। রক্ষিত অবস্থায় রাখার কারণে উত্তোলন কৃত প্রায় ৩২ টন চাল খাওয়ার অনুপযোগী বা প্রায় ৪৫ শতাংশ চাল নষ্ট হয়ে গেছে। এসকল চাল উত্তোলন না করাসহ চাল গুলো নষ্টের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবী করছেন ভিডাব্লিউবি এর সুবিধাভোগীরা। তারা দ্রুত সময়ে খাওয়ার উপযোগী চাল বিতরণের দাবী জানিয়েছেন।
এবিষয়ে হোসেনপুর ইউপি চেয়ারম্যান তৌফিকুল আমিন মন্ডল টিটুর ফোনে একাধিকবার ফোন দিলে ফোনটি বন্ধ পাওয়ায় তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শাহনাজ আক্তার জানান,সুবিধাভোগীদের কার্ড আজ স্বাক্ষর হলো দুই একদিনের মধ্যে চাল গুলো বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে। চাল গুলো খাওয়া অনুপযোগী হয়ে পড়ায় বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিতরণকালে চালের অবস্থা দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জাবের আহমেদ একাধিক গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।