১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

পলাশবাড়ীতে শৈশবের রঙিন স্মৃতির রঙে নিজ প্রাথমিক বিদ্যালয় রাঙিয়ে তুললেন শ্রী হরিদাস বাবু।

admin
প্রকাশিত অক্টোবর ৯, ২০২৫
পলাশবাড়ীতে শৈশবের রঙিন স্মৃতির রঙে নিজ প্রাথমিক বিদ্যালয় রাঙিয়ে তুললেন শ্রী হরিদাস বাবু।

Manual6 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি।

Manual4 Ad Code

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে শৈশবের রঙিন স্মৃতির রঙে নিজ প্রাথমিক বিদ্যালয় রাঙিয়ে তুললেন শ্রী হরিদাস বাবু। যা দেখে শিশুরাতো বটেই মুগ্ধ হবেন সব বয়সী মানুষ।

Manual6 Ad Code

বুধবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।

শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী জানান, ওই গ্রামের সাধারণ একজন যুবক হরিদাস বাবু। বর্তমানে যাকে এক নজর দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ছুটে আসেন পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্যরামচন্দ্রপুর গ্রামে। তার শৈশব কেটেছে এই গ্রামে।

এখানে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ ও কালী মন্দির। এখানে নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আদিযোগী শিবমূর্তি। যা পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম।

তাঁর শিক্ষা জীবনের শুরুটা ছিল রামচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেখানে কেটে গেছে জীবনের পাঁচটি বছর। রয়েছে নানা স্মৃতি। সেসব রঙিন স্মৃতিকে নতুন করে রাঙিয়ে তুলতে উদ্যোগ নেন বিদ্যালয় সংস্কারে। তিনি পুরো বিদ্যালয়টিকে রাঙিয়ে তোলেন মনের মাধুরি দিয়ে।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সবুর মণ্ডল বলেন, হরিদাস বাবু প্রায় দুই যুগ আগে এই বিদ্যালয় থেকে প্রাইমারীর পাঠ শেষ করেন। মনে হারানো দিনের লালিত সেই স্মৃতি থেকেই তিনি রঙের তুলিতে বিনোদন ও শিক্ষামূলক নানা বিষয়াদি দিয়ে বিদ্যালয়টি রাঙিয়ে তুলেছেন।

Manual1 Ad Code

এতে মুগ্ধ হয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ হরিদাস বাবুকে কৃতজ্ঞতা স্মারক প্রদান করেছেন বলেও জানান তিনি।

Manual8 Ad Code