১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২২শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

গাজীপুরে অবৈধ নিকাহ রেজিস্ট্রার ও জালিয়াতি: ফরিদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রমাণসহ ন্যায়বিচারের দাবি

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৫
গাজীপুরে অবৈধ নিকাহ রেজিস্ট্রার ও জালিয়াতি: ফরিদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রমাণসহ ন্যায়বিচারের দাবি

Manual4 Ad Code

কাজল

Manual8 Ad Code

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পূর্ব ভূরুলিয়া এলাকায় ইসহাক খন্দকার কাজী অভিযোগ করেছেন, তার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের এলাকায় কাজী ফরিদ উদ্দিন এবং তার প্রতিনিধি মাওলানা রফিক (বিও এফ ইমাম) ও তার ছেলে গালিব দীর্ঘদিন ধরে অন্যায় ও জালিয়াতিভাবে নিকাহ রেজিস্টার করছেন।

Manual1 Ad Code

অভিযোগে বলা হয়েছে, ফরিদ উদ্দিন প্রথমে মাসুম ভিলা (হোল্ডিং নং ১৫১/৬, ওয়ার্ড নং ২৫, মালিক: মোহাম্মদ আলী, পূর্ব ভূরুলিয়া রোড) ঠিকানা ব্যবহার করে নিজের কাজী হিসেবে সরকারি নিবন্ধন রেজিস্টার করেছিলেন। পরে তিনি একই এলাকার কাজী ভিলা (হোল্ডিং নং ১৫২/৪, মালিক: কাজী ফরিদ উদ্দিন) হিসেবে ঠিকানা পরিবর্তন করেন এবং বর্তমানে সি.এইচ. বাড়ি নং ১২০-এ পরিবারসহ বসবাস করছেন।

Manual2 Ad Code

অভিযোগে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ফরিদ উদ্দিনের সরকারি অনুমোদন ২৫ নং ওয়ার্ডে থাকা সত্ত্বেও সে ২৪ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে নিয়মবিরুদ্ধ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বিশেষ করে, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ইসহাক খন্দকার কাজীর নির্ধারিত এলাকায় তার রেজিস্ট্রেশন বই ব্যবহার করে বিবাহ রেজিস্টার করার ঘটনা ঘটেছে।

ইসহাক খন্দকার কাজীর কাছে সমস্ত প্রমাণাদি হার্ড কপিতে রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে রেজিস্ট্রেশন বই, বিবাহ নিবন্ধন ডকুমেন্ট এবং স্থানীয় সালিশি নথি।

প্রমাণাদির মাধ্যমে দেখানো হয়েছে, ফরিদ উদ্দিনের তিনটি বাড়ির মধ্যে দুটি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত (একটি নেশার আড্ডায় ব্যবহৃত) এবং একটি সরকারি কাগজে মারিয়ালী হিসেবে উল্লেখিত (হোল্ডিং নং ২০৬/৩, রশিদ নং ৯৫১১৭, জমা ৮৫৪ টাকা, তারিখ: ২৮-০৯-২০১৭)।

Manual1 Ad Code

ইসহাক খন্দকার কাজী ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সালে গাজীপুর জিএমপি সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে বর্ণিত ধারাসমূহ—অবৈধ ঠিকানা ব্যবহার, সরকারি সীমানা লঙ্ঘন, নথি ও তথ্য জালিয়াতি এবং অনিয়ম—সমস্তই হার্ড কপি প্রমাণসহ উল্লেখ রয়েছে। প্রয়োজন হলে আইনিভাবে কপি সরবরাহ করা যাবে।

অভিযোগপত্রগুলো ধাপে ধাপে উন্মোচন করা হবে, যেখানে প্রতিটি পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট প্রমাণাদি এবং অভিযোগগুলি সমন্বিতভাবে উপস্থাপন করা হবে। এই প্রক্রিয়ায়, ইসহাক খন্দকার কাজীর কাছে থাকা প্রমাণ ও অভিযোগপত্রগুলো একত্রিত করে দেখানো হবে, যাতে আদালত, প্রশাসন এবং স্থানীয় জনগণ স্পষ্টভাবে ঘটনাপ্রবাহ ও জালিয়াতির তথ্য বুঝতে পারে।

এছাড়া স্থানীয় জনগণ এবং আইন-প্রশাসন উভয়ই দ্রুত, স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ তদন্ত এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন। ধাপে ধাপে প্রমাণ উন্মোচনের মাধ্যমে কাজী ফরিদ উদ্দিনের কার্যক্রমের অসঙ্গতি ও জালিয়াতি সকলের সামনে স্পষ্ট হবে।

ইসলাহ ও ন্যায়বিচারের দাবির অংশ হিসেবে, এলাকাবাসী আশা করছেন যে প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমস্ত প্রমাণাদির ভিত্তিতে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যাতে জালিয়াতি ও অনিয়মের অপপ্রভাব থেকে এলাকার সেবা ও সরকারি কার্যক্রম স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়।