১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২২শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

পল্লবীর ‘ব্লেড বাবু’-কে কুপিয়ে হত্যা।

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০২৫
পল্লবীর ‘ব্লেড বাবু’-কে কুপিয়ে হত্যা।

Oplus_131072

Manual4 Ad Code

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবীতে বাবু ওরফে ‘ব্লেড বাবু’ (৩২) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা। তার নাম মো. বাবু ওরফে ব্লেড বাবু (৩২)। এ ঘটনায় রমজান নামে একজন আহত হয়েছেন।

Manual1 Ad Code

সোমবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে পল্লবী থানার ১২ নম্বর সেকশনের সিরামিক রোডের বঙ্গবন্ধু কলেজের পাশে নতুন রাস্তায় চাপাতি, সুইচ চাকু, ইট দিয়ে থেঁতলিয়ে আহত করা হয় বাবুকে।

স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রথমে তাকে স্থানীয় খ্রিষ্টান হাসপাতালে, পরে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় রমজান নামে আরও একজন আহত হন।

Manual5 Ad Code

পল্লবী থানার (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ সদস্যরা কাজ করছে। তদন্তে খুনের নেপথ্যের কারণ জানা যাবে।

পল্লবী থানা পুলিশ বলছে, নিহত ব্লেড বাবুর বাসা মিরপুর-২ নম্বরের ৬০ ফিট ছাপরা মসজিদ এলাকায়। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা রয়েছে। তার বাবার নাম মুস্তাকিম ও মায়ের নাম নাজমা বেগম। আহত রমজানের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।

পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু সাবাহ বলেন, ব্লেড বাবু নিজেই একজন সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে ছিনতাই, হত্যা, সন্ত্রাসী কার্যক্রমসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। তার গ্রুপের মধ্যে আজ অন্তঃকোন্দল দেখা দেয়।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় পাঁচজন জড়িত। তারা হলেন রাজন (৩৫), রনি (২৬), মুরাদ (৩০), তুফান (২৭) ও সাইফুল (২৪)। অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩/৪ জন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তারা সবাই একই গ্রুপের সদস্য।

Manual4 Ad Code

নিহত বাবুর পরিবারের দাবি, তাসকিন নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে বাবুর পূর্ব শত্রুতা ছিল। সোমবার বিকেলে বাবু আলীনগর মাঠ থেকে স্বপ্ননগর আসছিলেন। পথে রাজিবের গ্যারেজের সামনে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় তাসকিন, পিচ্চি মুরাদ, রাজন, তুফান, সাইফুল, ‘কুত্তা রাব্বি’ ও রনি।

Manual6 Ad Code

(এসআই) আবু সাবাহ আরও বলেন, এ ঘটনায় জড়িত কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি। মামলা দায়েরের পাশাপাশি জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চলছে। মরদেহ এখনো কুর্মিটোলা হাসপাতালে রয়েছে। মরদেহের সুরতহাল শেষে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।