২৬শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১১ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

জাতি অন্ধকারে নিমজ্জিত, দেশের মানুষ জেগে ওঠেছে: ফখরুল

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৯, ২০২৩
জাতি অন্ধকারে নিমজ্জিত, দেশের মানুষ জেগে ওঠেছে: ফখরুল

Manual3 Ad Code

জাতি অন্ধকারে নিমজ্জিত, দেশের মানুষ জেগে ওঠেছে: ফখরুল

Manual1 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার ঢাকা মহানগর: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সমগ্র জাতি আবারও অন্ধকারে নিমজ্জিত। আওয়ামী লীগের একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার চক্রান্তের বিরুদ্ধে মানুষ আবার জেগে ওঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে যখন সমগ্র জাতি অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়েছে, সমগ্র জাতি আবার আওয়ামী লীগেরই একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবার চক্রান্তের বিরুদ্ধে জেগে ওঠেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতি আবারো জেগে উঠতে শুরু করেছে। গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করবার যে সংগ্রাম, সেই সংগ্রামে আজকে সমগ্র মানুষ জেগে ওঠেছে।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান একজন ক্ষণজন্মা মানুষ। তিনি জাতির ক্রান্তিলগ্নে হাল ধরেছিলেন। হতাশাগ্রস্ত জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ায় বাংলাদেশের মানুষ নতুনভাবে উজ্জীবিত হয়ে নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। তিনি একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র উপহার দিয়েছিলেন। মুক্তবাজার অর্থনীতি উপহার দিয়েছেন। আজকে আধুনিক বাংলাদেশের উন্নয়নের ভিত্তি রচনা করেছিলেন জিয়াউর রহমান।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার মাধ্যমে দেশকে উন্নতি ও অগ্রগতির দিকে নিয়ে যেতে স্বপ্ন দেখেছিলেন জিয়াউর রহমান। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে, তাকে আমরা বেশিদিন পাইনি। বর্তমানেও আমরা তার আদর্শ ও ১৯ দফা সামনে রেখে পথ চলছি।

Manual4 Ad Code

এর আগে সকাল ১১টায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়ার কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তারা প্রয়াত নেতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

Manual1 Ad Code

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বরকত উল্লাহ বুলু, মীর নাসির, আহমেদ আজম খান, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, ফরহাদ হালিম ডোনার, রকিবুল ইসলাম বকুল, কেন্দ্রীয় নেতা হাবিব উন নবী খান সোহেল, আবদুস সালাম আজাদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মীর সরাফত আলী সপু, শাম্মী আখতার, হারুনুর রশীদ, মীর নেওয়াজ আলী, রফিক শিকদার, এস এম জাহাঙ্গীর, ঢাকা মহানগরের আমিনুল হক, নবী উল্লাহ নবী, মুক্তিযোদ্ধা দলের ইশতিয়াক আাজিজ উলফাত, শ্রমিক দলের আনোয়ার হোসাইন, যুব দলের মামুন হাসান মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের এস এম জিলানি, মহিলা দলের হেলেন জেরিন খান, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, শহিদুল ইসলাম বাবুল, মৎস্যজীবী দলের আবদুর রহিম, তাঁতী দলের কাজী মনিরুজ্জামান, ড্যাবের অধ্যাপক হারুন আল রশিদ, অধ্যাপক আব্দুস সালাম, জাসাসের জাকির হোসেন রোকন, ছাত্রদলের কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ নেতারা এ সময়ে সেখানে ছিলেন।