২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

নাসির-তামিমার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
নাসির-তামিমার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন

Manual8 Ad Code

নাসির-তামিমার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন

নাসরিন আক্তার রুপা ঢাকাঃ ডিভোর্স না দিয়ে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসাইন, তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি এবং তাম্মির মা সুমি আক্তারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।

Manual4 Ad Code

বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে এ আবেদন করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত জাহান।

Manual1 Ad Code

আদালত এ বিষয়ে আদেশ পরে দেবেন বলে জানিয়েছেন।

নাসির-তামিমার বিয়ে অবৈধঃ পিবিআই প্রতিবেদন

Manual7 Ad Code

এদিন মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মিজানুর রহমান তিনজনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন জমা দেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসানকে ডিভোর্স দেওয়া সংক্রান্ত কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। নাসিরকে বিয়ের আগে রাকিবকে ডিভোর্স দেননি তামিমা। স্বামী থাকা অবস্থায় অবৈধ বৈবাহিক সম্পর্ক দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে তারা ৪৬৮/৪৭১/৪৯৪/৪৯৭/৫০০/৩৪ ধারায় অপরাধ করেছেন মর্মে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ হয়েছে। এ প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের পর বাদীপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করে।

ভালোবাসা দিবসে বিয়ে করলেন অলরাউন্ডার নাসির

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে মামলা করেন।

মামলায় আগের বিয়ে গোপন থাকা অবস্থায় অন্যত্র বিয়ে, অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়ায় মানহানির অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তামিমা পেশায় একজন কেবিন ক্রু। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, তা রাকিবের নজরে আসে। পরে মিডিয়ায় তিনি ঘটনার বিষয়ে জানেন।

Manual3 Ad Code

মামলায় আরও বলা হয়, তামিমা ও নাসিরের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার শিশু কন্যা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। আসামিদের এমন কর্মকাণ্ডে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে।