৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সংসদ সদস্যদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ 

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সংসদ সদস্যদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ 

Manual2 Ad Code
বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সংসদ সদস্যদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ 
রিপোর্ট পিআইডিঢাকা: বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে নারীশিক্ষাকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরের কালিগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের বাস্তবায়নাধীন এসপিসিপিডি প্রকল্পের আওতায় গঠিত বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ পার্লামেন্টারিয়ান্স অন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিএপিপিডি)-এর বাল্যবিয়ে ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ এবং প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ শীর্ষক পরামর্শ কর্মশালায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে স্পিকার এ কথা বলেন।
Manual7 Ad Code

স্পিকার বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে তথা বিএপিপিডির সব কর্মকাণ্ড তৃণমূল পর্যায়ে বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণে সবার সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি। এ ক্ষেত্রে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ যথাযথ বাস্তবায়ন সম্পর্কে এরূপ কর্মশালা আয়োজন থেকে ধারণা পাওয়া যায়।

Manual2 Ad Code

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছি। সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তাঁকে ‘এসডিজি প্রগেস অ্যাওয়ার্ড’-এ ভূষিত করা হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের জনবান্ধব ধারণাটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত ব্যক্তিগত চিন্তার ফসল। কারণ, তিনি গ্রামে, চরে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষকে সেবা দেওয়ার বিষয়টি সর্বদা প্রাধান্য দেন।

স্পিকার বলেন, সমগ্র বাংলাদেশে ১২ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক কাজ করছে, সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় ৩২ রকমের ওষুধ সেখানে বিনামূল্যে বিতরণের ব্যবস্থা রয়েছে। মা ও শিশুসেবা, পরিবার পরিকল্পনাসেবা, শিশুটিকা প্রদান কার্যক্রম কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো দিয়ে যাচ্ছে।

Manual3 Ad Code

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, কোভিডকালীন সমগ্র বিশ্বে নারীর প্রতি সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নারী সহিংসতা, বাল্যবিয়ের মতো উদ্ভূত চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে উত্তরণ ঘটাতে হবে। কন্যা সন্তানদের অস্বচ্ছল পিতা-মাতাদের আস্থাহীনতার কারণে করোনাকালীন সময়ে বাল্যবিয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রকৃতপক্ষে কন্যা সন্তান তাদের জন্য বোঝা নয়। আইন প্রণয়নের পাশাপাশি অভিভাবকদের এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষিতে কন্যা সন্তানদের এগিয়ে নিতে সরকার ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, মসজিদের ইমাম সকলের প্রচেষ্টায় সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং ‘বাল্যবিবাহ ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক উপ-কমিটি’র আহ্বায়ক বেগম মেহের আফরোজের সভাপতিত্বে এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কে. এম. আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এমপি নজরুল ইসলাম বাবু, আরমা দত্ত, শিউলি আজাদ, শবনম জাহান ও ফখরুল ইমাম। প্রকল্প পরিচালক যুগ্ম সচিব এম এ কামাল বিল্লাহ কর্মশালায় সূচনা বক্তব্য দেন।

Manual8 Ad Code