২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১২ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

জিয়াউর রহমানের কবরে তার মরদেহ নেই: চ্যালেঞ্জ মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

admin
প্রকাশিত আগস্ট ৩০, ২০২১
জিয়াউর রহমানের কবরে তার মরদেহ নেই: চ্যালেঞ্জ মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

Manual4 Ad Code
জিয়াউর রহমানের কবরে তার মরদেহ নেই: চ্যালেঞ্জ মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার ঢাকা : প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে তার মরদেহ নেই বলে চ্যালেঞ্জ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

Manual2 Ad Code

সোমবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম কেন্দ্রীয় সংসদের আয়োজনে ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ হত্যা রোধে করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ চ্যালেঞ্জ করেন।

Manual3 Ad Code

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে তার মরদেহ নেই উল্লেখ করে এসময় মন্ত্রী বলেন, আপনারা ছবি দেখান। ছবি যদি নাও থাকে বিজ্ঞানকে আমরা কেউ অস্বীকার করতে পারি না। ডিএনএ টেস্ট করলেই পাওয়া যাবে। যদি ওখানে কোনোকিছু থেকে থাকে, ডিএনএ টেস্ট করে প্রমাণ করুক। যদি প্রমাণ হয়, জাতির কাছে নাকে খৎ দিয়ে ক্ষমা চাইবো। আমি যদি মিথ্যা কথা বলে থাকি, জাতি বিচার করুক, অন্য কোন দণ্ড দিলেও মেনে নেবো। আমি চ্যালেঞ্জ করি যে, সেখানে তার কোনো মরদেহ নেই।

Manual3 Ad Code

তিনি বলেন, কার না কার মরদেহ পাওয়া গেল, জিয়ার কবর বলে চালিয়ে দেবেন, এমন মিথ্যাচার হতে পারে না। একটি কবরকে জিয়াউর রহমানের কবর বলে চালিয়ে দেবেন, এটি মিথ্যাচার।

মন্ত্রী বলেন, যিনি রাষ্ট্রপতি, তার সবকিছু ছবি ধারণ করা থাকে। রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচার অনুসারে সবকিছুর ছবি ধারণ করা হয়ে থাকে। জিয়াউর রহমানের মরদেহ ছবিটা তাহলে দয়া করে দেখান। মহাসচিব আরও বলেছেন তার পোস্টমর্টেম হয়েছে, ২২ টা বুলেট পাওয়া গেছে। যদি সত্য হয়ে থাকে ছবি দেখান, যদি বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকে, মুখের ছবি দেখান। ছবি যদি নাও থাকে বিজ্ঞানকে আমরা কেউ অস্বীকার করতে পারি না। ডিএনএ টেস্ট করলেই পাওয়া যাবে। যদি ওখানে কোনোকিছু থেকে থাকে, ডিএনএ টেস্ট করে প্রমাণ করুক।

Manual1 Ad Code

মন্ত্রী এ সময় বলেন, আমি আরও একটি কথা বলতে চাই। সেটি হলো মহাসচিব বলেছেন, আমি জিয়াউর রহমানের কবর অপসারণের কথা বলেছি। তবে আমি বলতে চাই যে কথাটি আসলে আংশিক সত্য, পুরোপুরি সত্য নয়। বিষয়টি হচ্ছে আমি জাতীয় সংসদে একাধিকবার বলেছি সংসদের নকশাকার বাইরে যা কিছু আছে, তার সবকিছুই আমাদের অপসারণ করা উচিত। কেননা এটি বিশ্বের মধ্যে একটি অনন্য নিদর্শন। আমি নকশার বাইরে সবকিছুই অপসারণ করতে বলেছি। সেখানে অন্যান্যদের কবরও আছে। শুধুমাত্র জিয়াউর রহমানের কবরকে নির্দেশ করে বলা নয়।

মুক্তিযুদ্ধ সংসদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে এ সময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস।

এসময় বিভিন্ন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।