২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১২ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়র আ’লীগ থেকে বহিষ্কার

admin
প্রকাশিত জুন ১৪, ২০২১
টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়র আ’লীগ থেকে বহিষ্কার

Manual5 Ad Code

টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়র আ’লীগ থেকে বহিষ্কার

মোঃ মমিন হোসেন, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি :

Manual6 Ad Code

টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়র হাফিজুর রহমান ওরফে স্বপনকে শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় এ বহিষ্কার করা হয়। টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোয়াহের এমপি স্বাক্ষরিত চিঠিতে ১৩ জুন রবিবার এই বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।

Manual8 Ad Code

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ জুন প্যানেল মেয়র হাফিজুর রহমান স্বপন শহরের আকুর টাকুর পাড়ায় একটি জমি পরিমাপকে কেন্দ্রে ওই জমির মালিকের জামাতার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন। কথা বলার এক পর্যায়ে তিনি তাকে বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও মানি না’। তাছাড়াও তিনি নানা অশ্লীল বক্তব্য প্রদান করেন। তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

Manual7 Ad Code

এ নিয়ে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। অনেকেই তাকে বহিষ্কারের দাবি জানান। শহর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমেদ মজিদ সুমন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঘোষণা দেন হাফিজুরকে দল থেকে বহিষ্কার করা না হলে তিনি পদত্যাগ করবেন।

Manual1 Ad Code

এর আগে গত ৯ জুন প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কটূক্তি কারণে হাফিজুর রহমান স্বপনের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় পৌর কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন। এছাড়াও মোবাইল ফোনে হুমকির দেওয়ার ঘটনায় শহরের আকুর টাকুর পাড়ার প্রয়াত আশরাফ চৌধুরীর জামাতা মফিজুর রহমান টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

প্রসঙ্গত, হাফিজুর রহমান স্বপন প্রথমে ছাত্রদল ও পরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৪ সালে জুন মাসে তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। যোগদানের পরেই তিনি প্রথমে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও পরে সহ-সভাপতি পদ লাভ করেন। হাফিজুর রহমান স্বপন টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৬ নং ওয়ার্ডে পর পর চার বার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। সর্বশেষ গত ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর প্যানেল মেয়রের দায়িত্ব পান।