২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৮ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

তামাকমুক্ত দেশ গড়তে নাটোরে দিনব্যাপী কর্মশালা

admin
প্রকাশিত মার্চ ১৬, ২০২১
তামাকমুক্ত দেশ গড়তে নাটোরে দিনব্যাপী কর্মশালা

Manual1 Ad Code

আব্দুল বারী, নাটোর প্রতিনিধি: ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে নাটোরে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটায় বিভিন্ন পেশাজীবী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী সেশনে সভা প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন জেলা প্রশাসক ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শাহরিয়াজ এবং অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সমন্বয়কারী জিল্লুর রহমান চৌধুরী।

Manual2 Ad Code

উদ্বোধনী সেশনে মেয়র উমা চৌধুরী বলেন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিধিমালার কার্যকর প্রয়োগের ফলে দেশে তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার কমছে। স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর এসব দ্রব্যের ক্রম হ্রাসমান পর্যায়কে আরো বেগবান করে ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করা হবে।

কর্মশালায় আরো বলা হয়, দেশে ১২ লাখ মানুষ তামাকের কারণে আটটি প্রাণঘাতী, ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত হয়। এরমধ্যে তিন লাখ ৮২ হাজার মানুষ পঙ্গুত্বের শিকার হয়। বছরে আমাদের দেশে এক লাখ ৬১ হাজার ২৫০ জন ব্যক্তি ধূপমান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের ফলে মারা যান। সারা বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা ৭১ লাখ এবং পরোক্ষ মৃত্যুর সংখ্যা নয় লাখ। পারিবারিক ক্ষতি ছাড়াও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারে চিকিৎসা ব্যয় বেড়ে যায় বহুগুণে। দেশে তামাক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বছরে সরকারকে রাজস্ব দেয় পাঁচ হাজার কোটি টাকা। পক্ষান্তরে তামাক সেবনজনিত জটিলতার চিকিৎসায় সরকার ব্যয় করে সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা। তামাক মাদক সেবনের প্রবেশ পথ হিসেবে প্রমাণিত। তামাক জীবন থেকে জীবন কেড়ে নেয়। তাই তামাকের ব্যবহার রোধ করতেই হবে বলে কর্মশালায় দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

Manual3 Ad Code

কর্মশালায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে সেশন উপস্থাপন করেন পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা, ধূমপান প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও প্রচারণার গুরুত্ব বিষয়ে রিসোর্স পার্সন হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক গোলাম রাব্বী, তামাকের কারণে সৃষ্ট রোগ ও রোগের প্রভাব নিয়ে সেশন উপস্থাপনা করেন সিভিল সার্জন ডাঃ কাজী মিজানুর রহমান, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিধিমালা এবং ধূমপান প্রতিরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভূমিকা বিষয়ে সেশন উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রহিমা খাতুন।

Manual8 Ad Code