৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

চুয়াডাঙ্গায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা নেমেছে ৭.৫ ডিগ্রিতে

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৬, ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা নেমেছে ৭.৫ ডিগ্রিতে

Manual1 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট, চুয়াডাঙ্গা

Manual7 Ad Code

চুয়াডাঙ্গায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ছয়টায় জেলয়া মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক জাহিদুল ইসলাম জানান, কয়েকদিন ধরেই জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছিল। তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছিল।

মঙ্গলবার সকাল ছয়টায় তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৩ শতাংশ।

একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত শীতের কারণে জীবনে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। হিম শীতল বাতাস আর কুয়াশার কারণে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে।

মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের কারণে খেটে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন। সাধারণ মানুষ প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। বরফের মতো শীতল বাতাস বইছে, ফলে শীত অনুভূত হচ্ছে তীব্রভাবে।

দিনের সঙ্গে রাতের তাপমাত্রা কম হওয়ায় শীত আরও প্রকট। অধিক গরম কাপড় পরেও শীত থেকে রক্ষা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। পথচারী মঙ্গল মিয়া বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে সারাদিন এতটাই শীত অনুভূত হচ্ছে যা ভাষায় বোঝানো সম্ভব নয়। শীতের কাছে আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। ঘরে ও বাইরে সমান শীত অনুভূত হচ্ছে।

Manual8 Ad Code

ভ্যানচালক রশিদ মোল্লা জানান, শীতের কাপড় অনেকগুলো পরিধান করেও রক্ষা পাচ্ছি না। শরীরের কোনো অংশ ঢাকা না থাকলেই হিম শীত অনুভূত হচ্ছে। ভাড়ার জন্য সকাল থেকে বের হলেও কোনো ভাড়া পাচ্ছি না, শীতে বাইরে থাকা সম্ভব হচ্ছে না।

শিক্ষার্থী আব্দুল হালিম বলেন, সকালে পানিতে হাত দেয়া অসম্ভব হয়ে গেছে। বরফের মতো ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। পড়াশোনা করতে বাইরে যাওয়া অনেক কষ্ট হয়ে গেছে।

Manual8 Ad Code

শীতের প্রভাবে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেশি দেখা যাচ্ছে।

Manual3 Ad Code