১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

পৌষের শুরুতেই বোচাগঞ্জে ফুটপাতের শীতবস্ত্রের দোকানে ক্রেতার ভিড়

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫
পৌষের শুরুতেই বোচাগঞ্জে ফুটপাতের শীতবস্ত্রের দোকানে ক্রেতার ভিড়

Manual2 Ad Code

বোচাগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :

Manual1 Ad Code

পৌষ মাসের শুরুতেই উত্তরের জেলা দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। ভোর থেকে ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন।

Manual1 Ad Code

কনকনে ঠান্ডা থেকে রক্ষা পেতে গরম কাপড় কিনতে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও ফুটপাতের শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ।

Manual7 Ad Code

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে ফুটপাতজুড়ে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী শীতবস্ত্রের দোকান। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব দোকানে ক্রেতার আনাগোনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ফুটপাতের দোকানগুলোতে সোয়েটার, জ্যাকেট, মাফলার, শাল ও কম্বলের নানা সংগ্রহ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিক্রেতারা। তুলনামূলক কম দামে গরম কাপড় পাওয়া যায় বলে খেটে খাওয়া মানুষ, নিম্ন ও মধ্যবিত্তসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভরসাস্থল হয়ে উঠেছে এসব দোকান।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দিনাজপুর জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ফুটপাতের দোকানে গরম কাপড় কিনতে আসা ক্রেতারা জানান, শীত বাড়ায় পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রয়োজনীয় কাপড় কিনতেই তারা এখানে আসছেন। সাধ্যের মধ্যে কাপড় পাওয়া যায় বলে ফুটপাতের দোকানই তাদের প্রথম পছন্দ। তবে অনেকেই অভিযোগ করেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর কিছু কিছু শীতবস্ত্রের দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

ক্রেতা মুনিরা বলেন,“বাজারের দোকানে দাম বেশি, তাই ফুটপাত থেকেই কিনছি। মান মোটামুটি হলেও দামের কারণে এখানেই আসতে হচ্ছে।”

এ ছাড়া ক্রেতা সোয়াইব ইসলাম ও মোমিনুল ইসলাম জানান, শীত যত বাড়ছে, ততই গরম কাপড়ের প্রয়োজন বাড়ছে। পরিবার নিয়ে শীত মোকাবিলায় তারা ফুটপাতের দোকানেই ভরসা রাখছেন।

Manual3 Ad Code

অন্যদিকে বিক্রেতারা জানান, গত ১৭ ডিসেম্বরের পর থেকে শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতার সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

শীতবস্ত্র বিক্রেতা জুয়েল ইসলাম বলেন, “শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি মোটামুটি ভালো হচ্ছে। সকাল থেকে রাত ৭টা–৮টা পর্যন্ত দোকানে ক্রেতার ভিড় থাকে।”

পৌষের এই কনকনে শীতে ফুটপাতের শীতবস্ত্রের দোকানগুলোই এখন বোচাগঞ্জের নিম্ন ও মধ্যবিত্তসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের বড় ভরসাস্থল হয়ে উঠেছে। শীত যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে গরম কাপড়ের চাহিদা।

এমন পরিস্থিতিতে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সমাজের সব শ্রেণির মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগই হতে পারে মানবিকতার সবচেয়ে বড় উষ্ণতা।