১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

সাদুল্লাপুরে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ, জোরপূর্বক জমি দখল।

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৫
সাদুল্লাপুরে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ, জোরপূর্বক জমি দখল।

Manual6 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি

Manual4 Ad Code

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় নুর আলম নামের এক ব্যক্তির মালিকানাধীন জমি জোরপূর্ব দখলের ঘটনা ঘটেছে। বিজ্ঞ আদালতের ১৪৪-১৪৫ ধরা ভঙ্গ করে স্থানীয় মতিয়ার রহমান গংরা এই জমি দখলে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছ।

সরেজমিনে সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফুলবাড়ি গ্রামে দেখা গেছে- দখল করা ওই জমিতে ঘরবাড়ি স্থাপনের চিত্র।

আদালতে দায়ের করা মামলা সুত্রে জানা গেছে- পশ্চিম ফুলবাড়ি গ্রামের কোব্বাস আলীর ছেলে নুর আলম পৈতৃক ও ক্রয় সুত্রে মোট ২৩ শতক জমি প্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ-দখল করে আসছেন।

Manual1 Ad Code

এর মধ্যে ১২ শতক জমি একই গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে মতিয়ার রহমান ও আমিনুর রহমান গংরা অহেতুকভাবে দাবি করে দখলের পাঁয়তারা অব্যাহত রাখেন। এ থেকে আইনী সহায়তা পেতে নুর আলম গাইবান্ধা বিজ্ঞ আদালতে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন।

Manual8 Ad Code

এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত নালিশী জমিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সাদুল্লাপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছে। এ নির্দেশ অনুযায়ী উভয়পক্ষ নালিশী জমিকে কেন্দ্র করে কোন প্রকার দাঙ্গা-হাঙ্গামা না করা শর্তে আগামী ১৯ নভেম্বর তথ্য-প্রমাণসহ আদালতে হাজির হওয়ার জন্য থানা থেকে নোটিশ প্রদান করা হয়। কিন্তু আদালতের ও নোটিশের নির্দেশকে ভঙ্গ করেছে প্রতিপক্ষ মতিয়ার রহমান গংরা।

তারা গত (২৬ সেপ্টেম্বর) দলবদ্ধ হয়ে নুর আলমের ১২ শতক জমি জোরপূর্বক দখল নিয়েছেন। এরপর সেখানে টিনের বাউন্ডারী ঘিরে ঘরবাড়ি স্থাপন শুরু করেছে মতিয়ার রহমানেরা।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে ভুক্তভোগী নুর আলম শেখ বলেন, মতিয়ার রহমানেরা দলবল নিয়ে উত্তেজীত হয়ে আমার ১২ শতক জমি জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে। এসময় আমি ও আমার পরিবারের লোকজন বাধা দিতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন তারা।

Manual2 Ad Code

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মতিয়ার রহমানের স্বজনরা বলেন, পৈতৃক সু্ত্রে ওই ১২ শতক জমির মালিক আমরা। তাই আমাদের এ জমিটি দখলে নিয়ে ঘরবাড়ি করতেছি।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার এএসআই মশিউর রহমান বলেন, ওই ১২ শতক জমিকে কেন্দ্র করে বাদি নুর আলম একটি পিটিশন মামলার ১৪৪/১৪৫ ধারা কার্যবিধির প্রেক্ষিতে গত ২৫ সেপ্টেম্বর একটি নোটিশ উভয়পক্ষকে দেওয়া হয়েছে।