২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১২ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

সাংবাদিক তোফায়েল হোসেন জাকিরের সহযোগিতায় সংবাদ প্রকাশে ভাতা কার্ড পেল হালিমা বেওয়া ।

admin
প্রকাশিত আগস্ট ৮, ২০২৫
সাংবাদিক তোফায়েল হোসেন জাকিরের সহযোগিতায় সংবাদ প্রকাশে ভাতা কার্ড পেল হালিমা বেওয়া ।

Manual2 Ad Code

শেখ আসাদুজ্জামান আহমেদ টিটু।

Manual5 Ad Code

“মোর শরিল আর চলে না বাহে” শীর্ষক সংবাদটি বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশের পর খবরটি আমলে নেন গাইবান্ধা জেলা ও সাদুল্যাপুর উপজেলা প্রশাসন। এরই প্রেক্ষিতে সোমবার সকালে সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রহিমা খাতুন কর্তৃক হালিমা বেওয়াকে একটি বয়স্ক ভাতা কার্ড প্রদান করেন। দীর্ঘ স্বপ্নের ভাতা কার্ড পেয়ে মহাখুশি হালিমা বেওয়া। তার কাঙ্খিত কার্ড প্রাপ্তীতে জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পাল ও ইউএনও রহিমা খাতুনের কর্মময় জীবনের সাফল্য প্রত্যাশা করে দোয়া কামনা করেন হালিমা বেওয়া। সাদুল্যাপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কার্ড প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রহিমা খাতুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, সাংবাদিক তোফায়েল হোসেন জাকির, মশিউর রহমান ও সমাজ সেবা অফিসের সুপারভাইজার ইব্রাহিম মিয়া প্রমূখ। প্রসঙ্গতঃ গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের পাতিল্যাকুড়া চকদারিয়া গ্রামের মৃত লাল মিয়ার স্ত্রী এ হতদরিদ্র, বিধবা হালিমা বেওয়া। বয়স ৮৪ বছর ছুঁইছুঁই করছে। এক সময়ে লাঠিতে ভর দিয়ে ভিক্ষা করে দিনাতিপাত করতো। এখন চোখেও দেখেন কম। এমনকি লাঠিতে ভর দিয়েও চলতে পারে না। ছেলে ও নাতীদের সহযোগিতায় বাহ্যিক ব্যবহার বা অন্যান্য কাজগুলো সারেন। দিন-রাত বিছানায় তিনি শয্যশয়ী। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী হালিমা বেওয়ার জন্ম তারিখ ১৯৩৫ সালের ৪ এপ্রিল। প্রায় ৭ বছর আগেই তিনি স্বামী লাল মিয়াকে হারিয়ে বিধবা হয়েছেন। সেই থেকে ছেলে ও মেয়েদের নিয়ে নিরন্তর সংগ্রাম করে চলেছেন। যদিও মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন। আর ছেলেরা দিনমজুরি করে যা রোজগার করে তা দিয়েই তাদের সংসার চলে না। তবে মৃত্যুর আগেই একটি ভাতা কার্ডের আঁকুতি জানিয়েছিলেন হালিমা বেওয়া। এ খবরটি সাদুল্যাপুর উপজেলার কর্মরত সাংবাদিক তোফায়েল হোসেন জাকির বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশ করেন। এর পরই সোমবার সকালে সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রহিমা খাতুন তাকে একটি বয়স্ক ভাতা কার্ড প্রদান করেছেন।

Manual7 Ad Code