২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১২ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ নারী কেলেংকারীর তদন্ত অনুষ্ঠিত।

admin
প্রকাশিত জুলাই ২৯, ২০২৫
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ নারী কেলেংকারীর তদন্ত অনুষ্ঠিত।

Manual1 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি।’

Manual7 Ad Code

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ৬ নং বেতকাপা ইউনিয়নের সাকোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক নারী কেলেংকারীর ঘটনার অভিযোগে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। সরেজমিনে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,২ রা জুন ২০২৪ ইং তারিখে বিদ্যালয়টিতে যোগদানের পর থেকে একের পর এক অনিয়ম, দুর্নীতি ও নারী কেলেঙ্কারি যেন পিছু ছাড়ছে না তার। খোদ এলাকাবাসীসহ ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকরা বলছেন, মোঃ মোস্তফা মশকুর আলম শিক্ষক নামধারী একজন লম্পট,দুশ্চরিত্রের অধিকারী। স্থানীয়রা আরো জানায় নারী কেলেঙ্কারি, ছাত্রীদের যৌন হয়রানি সহ প্রায় তিনটি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেও বর্তমানে একজন স্ত্রীও নেই এই হেডমাস্টারের। ঘরে বউ রেখে পরকীয়ার অভিযোগে সংসার ভেঙেছে দু দুবার। পরকীয়া করতে গিয়ে ধরা খেয়ে অর্থের বিনিময়ে রফা দফা হয়েছে ইতিপূর্বে একাধিকবার। প্রধান শিক্ষকের নিজ গ্রামের বাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির সন্নিকটে হওয়ায় এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে সন্ত্রাস চক্রের সাথে জড়িত হয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নানাধরনের অনিয়ম দূর্নীতি সহ নারী কেলেংকারীর ঘটনা ঘটেই চলেছে। যে কারণে এলাকাবাসী মুখ খুলতে সাহস পায়নি। বর্তমানে স্কুলটির লেখাপড়া ও শৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কা রয়েছে ।সেইসাথে অবাধে বিভিন্ন নারীর সাথে মেলামেশা ও চলাফেরার কারনে এলাকার সুনাম নষ্ট, বিদ্যালয়টির মান ক্ষুন্ন হয়ে পড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে যেকোনো সময়ে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে বলে এলাকাবাসী ও অভিভাবক বৃন্দু জানায়। এরই প্রেক্ষিতে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে গত ২০ জুলাই ২০২৫ ইং তারিখে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক আইনুক ব্যবস্থা গ্রহনের লক্ষ্যে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস পলাশবাড়ী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২৮শে জুলাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের নির্দেশে সহকারী শিক্ষা অফিসার মাহামুদুল হাসান (এটিও) ফেরদৌসী বেগম ও তাহেরা নাসরিন মিলে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়। এ বিষয়ে সত্য ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করা হলে আবারো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন এলাকাবাসী। তদন্ত চলাকালীন সময়ে প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত ছিলেন। তদন্ত শেষে মাহমুদুল হাসান (এটিও) সাংবাদিকদের জানায় আমাদের তদন্ত চলমান রয়েছে আমরা পক্ষ-বিপক্ষ এবং স্থানীয়দের মতামত আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করবো। ঘটনা সত্যতা প্রমাণিত হলে অবশ্যই আমাদের উদ্বোধন কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে সাংবাদিকদের জানায় তারা।

Manual7 Ad Code