১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

ভুয়া মামলার কপি দিয়ে সাংবাদিকসহ জনসাধারণকে হয়রানি, মাহমুদুল কবির নয়ন ও বিপ্লবের শেষ কোথায়?

admin
প্রকাশিত মার্চ ১৯, ২০২৫
ভুয়া মামলার কপি দিয়ে সাংবাদিকসহ জনসাধারণকে হয়রানি, মাহমুদুল কবির নয়ন ও বিপ্লবের শেষ কোথায়?

Manual5 Ad Code

ভুয়া মামলার কপি দিয়ে সাংবাদিকসহ জনসাধারণকে হয়রানি, মাহমুদুল কবির নয়ন ও বিপ্লবের শেষ কোথায়?

রিপোর্টার pid ঢাকা: আজ দুপুর বারোটা আনুমানিক মাহমুদুল কবির নয়ন এর ভেরিফাই ফেসবুকে সাংবাদিক নেতা জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিল কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ভুয়া সাইবার ক্রাইমের একটি মামলার কপি প্রকাশ হয়, যা তৎক্ষণাৎ প্রশাসন বিভাগে মাঠে প্রস্তাব লাভ হয়, তখনই প্রশাসন অনুসন্ধানে নামে এবং প্রমাণ পায় যে পুরা মামলাটি ভুয়া, মামলাটিতে সাইবার অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিচারক জুলফিকার হায়াত স্যারের কথা উল্লেখ্য করা হয়, যদিও একটি মামলা একটি বাদী যখন কোর্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করে সেখানে একটি বিচারও মামলাটি তদন্তের ভার দেয় যে কোন প্রশাসনিক দপ্তরে, এখানে শুনানির কথা না বলে এই বাটপার নয়ন পিটিশনের কথা বলে জনগণকে হয়রানি করে চলেছে।

যদিও মামলাটি সমস্ত কপি এবং মামলার নাম্বার তিনি উল্লেখ করেন নাই।

 

Manual7 Ad Code

পরবর্তীতে প্রশাসন বিভাগের নাম ঠিকানা সমস্ত কিছু ডকুমেন্টারি সার্চ করে করে অনলাইনের মাধ্যমে যখন তলব নেয় আসলে এই ধরনের কোন অভিযোগ অনলাইনে পাওয়া যায় নাই, যদিও সাইবার ক্রাইম থেকে শুরু করে বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশে প্রত্যেকটি কোর্টে প্রত্যেকটি মামলা ডিজিটাল হিসেবে ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয় এবং সার্চ করলে পাওয়া যায়।

Manual1 Ad Code

Manual2 Ad Code

 


শুধু তাই নয় এখানে যে ধরনের তথ্যগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে সেটি সম্পূর্ণ রাষ্ট্রদৈহিত অপরাধের শামিল হিসেবে গণ্য হয়, এবং এই নয়ন পূর্বে একই সাইবার ক্রাইমের মামলার হিসেবে একটি কাগজ তার নিজের ভেরিফাই ফেসবুক পেইজে পোস্ট করেন সেটিও ভুয়া প্রমাণিত হয়, এবং পল্লবী থানাতে যে শেখ তিতুমীরের নামে জিডি করা হয় সেটিও ভুয়া প্রমাণিত হয়। যাহার নির্ধারিত প্রমাণপত্র দাখিল করিয়া বিভিন্ন পত্রিকার সহ আইপিটিভিতে প্রকাশিত হয়, যদিও সাম্প্রতিক সময়ে তার সহযোগী বিপ্লব আহমেদ সহ জায়েদ নামে প্রত্যেকের নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এবং বিভিন্ন নারী কেলেঙ্কারি সহ বিভিন্ন পত্রিকায় কার্ড বানিয়ে দিবে বলে এবং পিআইডি কার্ড বানিয়ে দিবে বলে লক্ষ লক্ষ টাকা একটি গাজীপুর কালিয়াকৈর হালিম সহ মাগুরার বিল্লাল, মহসিন বিশ্বাস সহ অনেকে জরিত

আত্মসাৎ এর বিভিন্ন থানায় জিটি রয়েছে।

 

অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, তাহার ভিত্তিতে বিভিন্ন পত্রিকায় নিউজ প্রকাশিত হয়।
নিউজের প্রথমে বিচারের দিন যে বিচারকের কথা উল্লেখ করা হয় প্রশাসন টিম তাদের সত্যতা জানার জন্য বিচারকের দ্বারস্থ হইলে প্রমাণিত হয় যে সে বিচারক গত কয়েকদিন যাবৎ কোটে কোন মামলার উপস্থাপনা করেন নাই তিনি ছুটিতে রয়েছেন।

এই বিষয়ে মানবতার সেবক ভুক্তভোগী অসহায় সাংবাদিকদের প্রতিবাদী কন্ঠ সাংবাদিক নেতা শেখ তিতুমীর আকাশকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন তার প্রতিষ্ঠানের একাধিক কর্মী দৈনিক বৈষমাপ্ত পত্রিকার ভুয়া সম্পাদক বিপ্লব আহমেদ এর ধারা প্রতারিত হয়েছে এবং কর্ম করিয়া বেতনের আশায় সর্বোচ্চ মহলে উপস্থাপন হইয়াছে কিন্তু কোন বিচার পাই নাই।
ঠিক একইভাবে জায়েদ ও নয়ন এই দুজনের ধারায় দৈনিক ক্রাইম তালাশ পত্রিকার নিবন্ধন নাম্বার ভুয়া প্রমাণিত হওয়ার পর তিনি দফায় দফায় নয়নের সমস্ত চক্রান্ত এবং ভুক্তভোগীদের বিচার পাইয়ে দিতে প্রশাসনের সর্বোচ্চ মহলে অবস্থান নিলে, সাম্প্রতিক সময়ে তারা সাংবাদিক পরিচয় মিরপুরে একটি ইউনিভার্সিটিতে হামলা চালায় হামলায়, প্রায় আড়াই কোটি টাকার মতো মালামাল ইহাদের ধারা লুটপাত হয় এবং ইউনিভার্সিটিটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যদিও ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা বিচারের দায়ে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোন সমাধান পায় নাই, কিন্তু এই ঘটনার ভুল চক্রান্তকারী মাহমুদুল কবির নয়ন, বিপ্লব আহাম্মেদ জায়েদ খান সহ কিছু সন্ত্রাসী অজ্ঞাতনামায় দায়ের করিয়া ঢাকা জর্জ কোর্টে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়, পুনরায় সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গণপ্রজাতিত বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ প্রশাসন বিভাগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনলী নিরাপত্তা বিভাগে তাদের নামে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়, অভিযোগটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর সুবিচারিক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সঠিক বিচার পাইয়ে দিতে হাইকোর্টকে নির্দেশনা জারি করেন,

সেই নির্দেশনার ভিত্তিতে মহামান্য হাইকোর্ট গত রবিবার আসামিদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে ইউনিভার্সিটিকে তার প্রতিষ্ঠাতা কে সর্বোচ্চ মর্যাদায় বসানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করে, এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর ডিবি হাতে সমস্ত মামলার এবং সমস্ত অপরাধীর নাম আজকে দাখিল করা হয়।
কথা থাকে যে জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিল কেন্দ্রীয় কমিটি একটি সরকারি নিবন্ধিত এনজিও ব্যুরো এখানের কিছু নেতৃবৃন্দদেরকে বিভিন্ন হয়রানিমূলক হুমকি প্রদান করা এবং মিথ্যা তথ্য প্রদান করা জন্য কিছু সন্ত্রাসী সাংবাদিক নামের মহদের নাম উল্লেখ না করলেও ঢাকা মহানগর বিবিকে সম্পূর্ণ প্রমাণাদি সহ দাখিল করা হয়েছে। এবং মহামান্য হাইকোর্ট এই প্রতিষ্টিত সংগঠনের প্রতি সুদৃষ্টি রেখে সকল সাংবাদিক মহলকে পাশে থাকার জন্য উক্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করিয়াছেন।

 

Manual6 Ad Code

উল্লেখিত থাকে যে উপরস্থ সকল আসামি এবং অজ্ঞাতনামা যে আসামিরা গাজীপুর ঢাকা এবং রংপুর সহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করিতেছে, তারা বিগত সরকারের আমলে সাংবাদিকতার পেশার নামে জমি দখল এবং গাজীপুর সখীপুর সহ মৌচাক তেলিচালা হরিনাকী সহ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি করে এবং ফরেস্টারদেরকে হয়রানি করে বিভিন্ন ভূমিদস্যু হিসেবে সাংবাদিকতার পেশাকে ব্যবহার করে আসছিলেন। তাহাদের নাম এবং বক্তব্য বিভিন্ন হয়রানি মূলক বিষয়গুলো স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের সহ সকল তথ্য আদি ঢাকা মহানগর ডিবিকে প্রধান করা হয়।
এ বিষয়ে আরো কিছু আপডেট তথ্য সাংবাদিক মহল থেকে প্রকাশিত হবে তার জন্য চোখ রাখুন জাতীয় অপরাধ দমন বিষয়ক জাতীয় সাপ্তাহিক অভিযোগ পত্রিকার পেইজে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য এবং দৃষ্টি আকর্ষণ পাঠকদেরকে করব নিউজ এর শেষে উপস্থিত সকলটি কথার বর্ণনা অনুযায়ী ডকুমেন্টগুলো দেয়া হইল সকলে মনোযোগ সহকারে দেখে সাংবাদিকদের সহযোগিতা করতে এবং এই ভুয়া প্রতারকদেরকে ধরিয়ে দিতে উপযুক্ত পুরস্কার ঘোষণা করবেন বলে শেখ তিত