২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

বিপদ থেকে বাঁচতে যে দোয়া পড়বেন!!

admin
প্রকাশিত এপ্রিল ১৫, ২০২৩
বিপদ থেকে বাঁচতে যে দোয়া পড়বেন!!

Manual8 Ad Code
মানুষের জীবনে নানা সময় ভয়াবহ বিপদ নেমে আসে। বিপদে আক্রান্ত হলে ধৈর্য ধারণ করে মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা সবার কর্তব্য। ঘরচাপায় পড়া, পানিতে ডুবে যাওয়া, অগ্নিদগ্ধ হওয়াসহ এ ধরনের বিপদ থেকে বাঁচতে মহানবী (সা.) একটি দোয়া পড়তেন। তা হলো الَّلهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ التَّرَدِّي وَالهَدمِ وَالغَرَقِ وَالحَرِيقِ ، وَأَعُوذُ بِكَ أَن يَتَخَبَّطَنِي الشَّيطَانُ عِندَ المَوتِ ، وَأَعُوذُ بِكَ أَن أَمُوتَ فِي سَبِيلِكَ مُدبِرًا ، وَأَعُوذُ بِكَ أَن أَمُوتَ لَدِيغًا
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাত তারাদ্দি ওয়াল হাদামি ওয়াল গারকি ওয়াল হারিক। ওয়া আউযুবিকা আন ইয়াতাখাব্বাতানি শয়তানু ইনদাল মাওতি, ওয়া আউযু বিকা আন আমুতা ফি সাবিলিকা মুদবিরা ওয়া আউযুবিকা আন আমুতা লাদিগা।
Manual6 Ad Code

অর্থ : ‘হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি ওপর থেকে পড়ে যাওয়া, ঘরচাপা পড়া, পানিতে ডুবে যাওয়া ও অগ্নিদগ্ধ হওয়া থেকে। আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি মৃত্যুকালে শয়তানের ছোঁ মারা থেকে। আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি আপনার পথ থেকে পলায়ন অবস্থায় মারা যাওয়া থেকে এবং আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি সাপের দংশনে মৃত্যু হওয়া থেকে।’
আবুল ইয়াসার (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) এই দোয়া পড়তেন। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস নম্বর : ৫৫৩১)

Manual5 Ad Code

অনেক আলেম বলেছেন, অগ্নিকাণ্ড ঘটলে ‘আল্লাহু আকবার’ বলা মুস্তাহাব। তা আগুন নেভাতে ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমাতে সহায়তা করে। এই বিষয়ে একটি হাদিস রয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা কোথাও আগুন দেখলে তাকবির বা ‘আল্লাহু আকবার’ অর্থাৎ আল্লাহ মহান বলো। কেননা তা আগুন নিভিয়ে দেবে।’ (আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাতি, পৃষ্ঠা : ২৯৫; তাবরানি : ১/৩০৭)।ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.) বলেছেন, ‘নামাজ, আজান ও ইকামতের সময় তাকবির পড়া হয়।
Manual8 Ad Code

তা ছাড়া সাফা, মারওয়াসহ উঁচু স্থানে উঠলে বা বাহনে আরোহণ করলে তাকবির পড়া মুসতাহাব। আগুন যতই ভয়াবহ হোক; তাকবির ধ্বনিতে তা নিভে যায়। আর আজানের মাধ্যমে শয়তান পলায়ন করে।’ (আল-ফাতাওয়া আল-কুবরা : ৫/১৮৮)