১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

৫ম শ্রেণীতে পড়ুয়া নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণকারী আসামী মোঃ আরিফ কে আনোয়ারা হতে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ৭,

প্রকাশিত ডিসেম্বর ৩১, ২০২২
৫ম শ্রেণীতে পড়ুয়া নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণকারী আসামী মোঃ আরিফ কে আনোয়ারা হতে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ৭,

Manual1 Ad Code

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ

“বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই স্লোগান নিয়ে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জোড়ালো ভূমিকা পালন করে আসছে। র‌্যাব সৃষ্টিকাল থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক, দুর্ধষ চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতার এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

Manual1 Ad Code

ভুক্তভোগী ভিকটিম ১৪ বছর বয়সের এবং সাতকানিয়ার একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণীতে পড়ুয়া একজন ছাত্রী। সে প্রতিদিনের ন্যায় গত ১৭ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রিঃ তারিখে আনুমানিক ১৪০০ ঘটিকায় প্রাইভেট পড়ার জন্য স্কুলে যায়। প্রাইভেট শেষে স্কুল হতে ফেরার পথে আসামী মোঃ আরিফ ভিকটিমকে একা পেয়ে জোরপূর্বক বিদ্যালয়ের টয়লেটের পিছনে পরিত্যাক্ত স্থানে নিয়ে যায়। সে সময় শিশু ভিকটিম চিৎকার করলে আরিফ তার মুখ চেপে ধরে এবং বলে চিৎকার করলে একদম মেরে ফেলবো বলে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ধর্ষণকারী আরিফ ভিকটিমকে ধর্ষণপূর্বক বাড়ীতে চলে যেতে বলে এবং ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে।

Manual8 Ad Code

পরবর্তীতে ভিকটিম বাড়ীতে আসলে তার অসুস্থতা দেখে তার মা তাকে হঠাৎ এমন অসুস্থ হওয়ার কথা জনতে চায়। তখন ভিকটিম তার মাকে উপরে উল্লেখিত ধর্ষণের কথা এবং তার রক্তক্ষরণ হচ্ছে বলে জানায়। তখন ভিকটিমের শরীরিক অবস্থা খারাপ দেখে তার মা-বাবা তাকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে ধর্ষিতা শিশু ভিকটিম চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সার্ভিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

Manual5 Ad Code

উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদি হয়ে মোঃ আরিফ’কে আসামী করে গত ২০ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রিঃ তারিখ চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০২০ (সংশোধিত ২০২০) এর ৯ (১) ধারায় একটি মামলা করে, যার মামলা নং-১৭/৪১৪, তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রিঃ।

Manual2 Ad Code

বর্ণিত মামলাটি রুজু হওয়ার পর থেকে ঘটনার সাথে জড়িত আসামী আরিফকে গ্রেফতারের জন্য র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম ছায়াতদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারী শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২২খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক ১৬১৫ ঘটিকায় চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ধর্ষণ মামলার এজাহার নামীয় একমাত্র আসামী পাষন্ড ধর্ষণকারী মোঃ আরিফ (২৬), পিতা-মৃত আহম্মদ কবির, সাং-আনোয়ারা সরকার হাট, থানা-আনোয়ারা, জেলা-চট্টগ্রাম’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে সে উপরে উল্লিখিত নাবালিকা শিশু ভিকটিমকে ধর্ষণের কথা অকপটে স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামী সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে চট্টগ্রাম জেলার সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।