ইউ, এইচ,সুমা,দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় তৃতীয় শ্রেনীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে ৬০ বছর ও ৬৬ বছর বয়সের দুই বৃদ্ধের উপর।ধর্ষিতা মেয়েটির নাম আফিফা আক্তার (৮)।সে দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা এনামুল হক কারিকর এর মেয়ে।গত বুধবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।আফিফা আক্তার ৫৩ নং পশ্চিম জলিশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী।
সরেজমিনে গিয়ে আফিফার সাথে কথা বলে জানাযায়, তার প্রতিবেশী সম্পর্কে দাদা মো. ফোরক কারিকর (৬০),ও মোঃ সেলিম গাজী (৬৬) নামের দুই বৃদ্ধা তাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। বুধবার সন্ধ্যার পারিবারিক কাজের জন্য বাড়ির পাশে রাস্তার সামনে গেলে তখন ফোরক কারিকর ও সেলিম গাজী দোকানে মজা কিনে দেয়ার লোভ দেখিয়েন কোন এক নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এর আগের ঐ দুই ব্যক্তি অনেক বিরক্ত করত বলে আফিফা জানায়। আফিফার মাতা মৃত তিনি তার দাদীর কাছেই বড় হচ্ছে আফিফারা দুই বোন এক ভাই আফিফার বড় বোন জানান তারা সম্পর্কে আমাদের দাদা হয় আফিফা কে প্রায়ই বিরক্ত করতো সে কথা আগেই আমাকে জানিয়েছে কিন্তুু দাদা হয় বলে পাত্তা দেইনি। তাছারা তারা দুজনেই বয়স্ক মানুষ এমন কাজ করবে জানা ছিলোনা আমি আইন প্রশাসনের কাছে এই ধর্ষক কারীর কঠিন শাস্তি দাবি করি।
অভিযোক্ত মো. ফোরক কারিকর (৬০) এর সাথে কথা বলতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি তারা দুইজন ঘটনার দিন থেকে লাপাত্তা। তবে ফোরক কারিকর এর স্ত্রীর মেয়ে এ ঘটনার অস্বীকার করে। তিনি আরও বলেন তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এগুলো সব মিথ্যা বানোয়াট। আর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা দুমকি থানাকে অবহিত করেছি তারা একটা সমাধান দিবেন।
এ দিকে অফিফার পরিবারকে কোন প্রকার প্রচারনা বা মামলা দিতে না দিতে চাপ সৃষ্টি করছে ফোরক কারিকরের কন্যা বিউটি বেগম (৪০)। বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টায় ব্যস্থ হয়ে পরেছে সমাজের কিছু কুচক্রমল। এ ধর্ষণের ঘটনাটি স্থানিয় ০৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার কে জানালে তিনি আফিফা কে দেখতে যান এবং আফিফার পরিবারকে ধর্ষণ কারীদের কঠিন বিচারের আস্বাস দেন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি।