২১শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২রা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

১১গ্রামের গুশুয়া ঈদগাহ মাঠে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত।

Editor
প্রকাশিত মার্চ ২১, ২০২৬
১১গ্রামের গুশুয়া ঈদগাহ মাঠে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত।

Manual5 Ad Code

১১গ্রামের গুশুয়া ঈদগাহ মাঠে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত।

আল-আমীন স্টাফ রিপোর্টারঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড গুশুয়া গ্রামে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী গুশুয়া ঈদগাহ মাঠে আজ সকাল ৯:৩০ মিনিটে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশপাশের ১১টি গ্রামের বিপুলসংখ্যক মুসল্লির অংশগ্রহণে ঈদের এ জামাত এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
গুশুয়া ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটির সভাপতি এসএম আক্তার হোসাইন এর সভাপতিত্বে জামাত শুরু হয়। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম লিটন।
ঈদুল ফিতরের নামাজের ইমামতি করেন ঘাটাইল উত্তরা জামে মসজিদের খতিব জনাব ওমর ফারুক। নামাজ শেষে তিনি খুতবা প্রদান করেন এবং দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
ঈদগাহ মাঠের উন্নয়ন ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিত্বদের গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা রয়েছে। ঈদ জামাতে ঘাটাইল গণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক এসএম আজহার সহ আরও অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং এলাকার মানুষরা হজ্জে যাওয়ার জন্য সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী হয়েছেন।
ঈদ জামাত শেষে সভাপতি এসএম আক্তার হোসাইন বলেন, “আমরা সকল মুসল্লির নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশে নামাজ আদায় নিশ্চিত করার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছি। নতুন পরিচালনা কমিটি মাঠের উন্নয়ন কাজ অব্যাহত রাখবে এবং স্থানীয় সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাচ্ছি।”
এছাড়া, ছামনা গ্রামের রাজনৈতিক নেতা ও ঘাটাইল উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব হাসানুজ্জামান তরুণ ঈদগাহ মাঠের উন্নয়নের জন্য ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এবং সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

Manual1 Ad Code

এই ঈদগাহ মাঠটি গুশুয়া, ছামনা, দুলাল, গুনদত্ত, নয়াবাড়ি, ফুলবাড়ী, মাইদারচালা, সন্ধানপুর, মানাজী, পুলিহাসন এবং কচিমধরা উত্তরপাড়া—মোট ১১টি গ্রাম নিয়ে গঠিত। প্রতিবছরের মতো এবারও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

Manual2 Ad Code

নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, যা এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও দৃঢ় করে।