১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

মনপুরায় ফিশিং বোটে বরফ সংরক্ষণ করায় জেলা মৎস্য দপ্তরের অভিযান পরিচালিত

admin
প্রকাশিত অক্টোবর ১০, ২০২৫
মনপুরায় ফিশিং বোটে বরফ সংরক্ষণ করায় জেলা মৎস্য দপ্তরের অভিযান পরিচালিত

Manual8 Ad Code

মনপুরা

Manual4 Ad Code

ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো ইকবলা হোসেন এর সার্বিক নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে আজ ০৯-অক্টোবর- ২০২৫ খ্রি রোজ বৃহস্পতিবার মনপুরা উপজেলার বিভিন্ন যায়গায় অভিযান পরিচালনা করে,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে মনপুরা উপজেলার মেঘনা নদীর সমুদ্রগামী কিছু ফিশিং বোটে বরফ সংরক্ষণ করে রাখার খবর পাওয়া যায়।

পরে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো ইকবাল হোসেন এর পরিচালিত অভিযানে বরফ সংরক্ষণ এর সত্যতা পাওয়া যায় এবং সকল বরফ ধংস করা হয়।ইলিশ ধরা নিষেধাজ্ঞায় মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান সারা দিন ব্যাপি ১২ ঘন্টার অভিযান পরিচালনা কালে ৪৫ টি সমু্দ্রগামী ফিশিং বোটে বরফ পাওয়া গেছে।

৪নং দক্ষিণ সাকুচিয়া জনতা বাজার মাছ ঘাটে ২৭ টি ফিশিং বোটে,৩নং উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়ন লতাখালি মাছ ঘাটে ৭ টি,তালতলা মাছ ঘাটে ১১ টিতে বোঝাইকৃত বরফ আটক করা হয়। উক্ত ফিশিং বোটের বরফ গুলো জনসম্মুখে বিনষ্ট করা হয়েছে।

এই অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন নবনিযুক্ত মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক ও ক্ষেত্রসহকারী মো মনিরুল ইসলাম, সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্প তথ্য সংগ্রহকারী মো হেলাল, মো রাসেদ, মো হেলাল উদ্দিন।

Manual1 Ad Code

অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন মনপুরা উপজেলার কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর একটি চৌকস টিম।এই টিমের সদস্যরা সার্বিক সহায়তা করে।

মনপুরা উপজেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত নবনিযুক্ত মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক বলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা একটি গোপন সংবাদ পেয়ে আমাদেরকে অবগত করে তিনি মনপুরা উপজেলায় রওয়ানা দেন,পরে এসে যে অভিযোগ ছিল তার সত্যতা পেয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার মাঝে রাতের আধারে যারা মেঘনা নদীতে মা ইলিশ শিকারে যাবে তাদের কে আটক করার জন্য আমাদের মৎস্য দপ্তরের টিম ও কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযানে আছে।মা ইলিশ রক্ষায় আমাদের টিম নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে বলেও জানান মৎস্য কর্মকর্তা।

Manual4 Ad Code

অভিযান পরিচালনা কালে উপস্থিত ছিলেন মনপুরা উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার ব্যাক্তি ও সাংবাদিকবৃন্দ।

Manual3 Ad Code