২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৮ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

ইউটিউবে স্বপ্নপূরণের গল্প

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ১১, ২০২০
ইউটিউবে স্বপ্নপূরণের গল্প

Manual4 Ad Code

“” ইউটিউবে স্বপ্নপূরণের গল্প””

Manual7 Ad Code

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পর্যটন নগরী সিলেটের হয়ে ইউটিউবে প্রতিনিধিত্ব করছে ফরহাদ হাসান। সে সিলেট সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সিরাজ মিয়ার ছেলে ফরহাদ। ২০১৬ সালের ২৯ এপ্রিল থেকে শুরু হয় তাঁর ইউটিউবে পদার্পণ। ইউটিউব কিং তৌহিদ আফ্রিদিকে দেখেই সে অনুপ্রাণিত হন। ফরহাদ তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Manual8 Ad Code

তার ইউটিউব চ্যানেলের নাম Forhad Media (www.youtube.com/c/Forhad Media)

ফানি ভিডিও, শটফিল্ম এবং মাদক,জুয়া নিয়ে কাজ করতে বিশেষ আগ্রহ। মাত্র ২০টি ভিডিও আপলোড হলেও হাজারো ভক্তের ভালবাসায় ইতমধ্যে তার চ্যানেলে দেড় হাজার সাবস্ক্রাইবার পূর্ণ হয়েছে। প্রথম দিকে বেশি সাড়া না পেলেও ২০১৯ সালে তিনি সাবস্ক্রাইবদের মন জয় করতে শুরু করেন।

তারঁ প্রিয় শখ ইউটিউবিং। এটিকে পেশা হিসেবেও নেয়ার কথা ভাবছে ফরহাদ। অন্যদিকে সে ক্রিকেট খেলতে ও দেখতে ভালবাসেন। পর্যটন নগরী সিলেটের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে ইউটিউব চ্যানেলকে তুলে ধরা বিশেষ উদ্দেশ্য তাঁর। এ সফলতার জন্যে সে তার ইউটিউব পরিবারের সদস্যদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Manual2 Ad Code

ফরহাদ জানালেন, একজন ইউটিবার হিসেবে স্বপ্ন পূরণের যাত্রিক হওয়ার পেছনে সর্ব প্রথম তার বাবা ও মার কাছ থেকে সাপোর্ট পান। এবং টিম মেম্বার দের নিয়ে তার এতটুকু পথচলা। এর পেছনে আরো একজনের কথা জানালেন ফরহাদ। বাংলাদেশের সেরা একজন ইউটিউব স্টার তৌহিদ আফ্রিদি অবদান আজীবন চিরস্মরনীয় করে রেখেছি।

প্রসংগত, তাঁর যখন মাত্র ১০২ জন সাবস্ক্রাইবার তখন সে বিভিন্ন কারণে হতাশায় ভোগে এক পর্যায়ে ইউটিউব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

কিন্তু তাঁরপর বন্ধুদের সহযোগিতায় ক্যামেরা ও প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র সংগ্রহ করে আবার শুরু করেন ইউটিউবের কাজ।তৈরি করেন বিভিন্ন পেইজ।

পাশিপাশি তৈরি করেন সিলেটি নাটক এবং সিলট নগরী নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন। আস্তে আস্তে কিছু সফলতার মুখ দেখেন তিনি।

সিলেট শাহীঈদগাহ বসবাস করেন তিনি। ইউটিউবার হওয়ার স্বপ্নের কথা! জানতে চাইলে ফরহাদ বলেন,আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে শুরুতে কঠিন সময় ছিলোও আমার।

Manual5 Ad Code

ক্যামেরা বা প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র ছিলোও না মোবাইল দিয়ে কাজ করতাম। আস্তে আস্তে কিছু বন্ধুদের নিয়ে ইউটিউব চ্যানেল শুরু করি। অনেক কষ্টের পড়ে ২০১৯ সালে সফলতার মুখ দেখতে পাই।এখনোও যুব সমাজ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

শিক্ষানীয় ভিডিও তৈরি করছি।যা দেখে আমাদের যুব সমাজ অনুপ্ররনা পায়। প্রযুক্তি এখন অনেক উন্নতি হয়েছে সহজে সব কিছু আমার জানতে পারি ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে। আজ তথ্য-প্রযুক্তিতে উন্নতি সাধন হয়েছে বলেই ইউটিউবার হতে পেরেছি ।

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল বিশ্বের জনপ্রিয় চ্যানেল ইউটিউব এ সিলেটের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার লক্ষ্যে ফরহাদ সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।