
বিবৃতিতে জোহর রাজ্য অভিবাসন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রুশদি মোহাম্মদ দারুস জানান, কিছু স্থানীয় ব্যক্তি ও নিয়োগকর্তা অভিবাসীদের আসল পরিচয় আড়াল করে নিজেদের নামে বাড়ি ভাড়া নিয়ে তাদের অবৈধভাবে থাকার সুযোগ করে দিচ্ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকাল ১০টায় মার্সিং শাখার ৯ জন কর্মকর্তার একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। মূলত নির্মাণাধীন এলাকা, আবাসিক বাড়ি এবং বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে এই তল্লাশি চালানো হয়। ইমিগ্রেশন বিভাগ আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল যে, নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় অবৈধভাবে বিদেশি শ্রমিকদের বসবাসের সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে। অভিযানের মাধ্যমে সেই অপচেষ্টা নস্যাৎ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
আটকদের মধ্যে ৭ জন বাংলাদেশি এবং ১৪ জন ইন্দোনেশীয় পুরুষ রয়েছেন, যাদের বয়স ২১ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, ইমিগ্রেশনের হাত থেকে বাঁচাতে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছিলেন এবং তাদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন।
আটক এই ২১ জনের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩-এর বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
বর্তমানে আটক সকল বিদেশি নাগরিককে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সেটিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, অবৈধ অভিবাসীদের তথ্য গোপন ও আশ্রয় দেয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চারজন স্থানীয় ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে তলব করেছে কর্তৃপক্ষ।
ইমিগ্রেশন বিভাগ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের প্রশ্রয়দাতা বা সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক -শেখ তিতুমীর আকাশ।
বার্তা প্রধান : মোঃ সেলিম উদ্দিন
ইমেইল: dailyswadhinbhasha@gmail.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.abhijug.com কর্তৃক সংরক্ষিত।