১৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৩০শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

মতিঝিলের মুক্তিযোদ্বা সন্তান সাঈদ এখন বিএনপি জামাতের মূল টার্গেট

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯
মতিঝিলের মুক্তিযোদ্বা সন্তান সাঈদ এখন বিএনপি জামাতের মূল টার্গেট

Manual7 Ad Code

অভিযোগ ডেস্ক :: মতিঝিলে জামাত বিএনপির মূল আতংক মুক্তিযোদ্বা সন্তানও জনপ্রিয় কাউন্সিলর এ কে এম সাঈদ।

Manual6 Ad Code

বিভিন্ন সময় আন্দোলন সংগ্রাম করে সফল হতে পারে নি সাঈদের জন্য।মতিঝিলের আওয়ামী লীগের মূল শক্তি এই কর্মীবান্ধব এ কে এম মমিনুল সাঈদ কে ধ্বংস করার জন্য বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ মিডিয়া কে ব্যবহার করতো বিএনপি জামাত।বিএনপি জামাতের ঘাঁটিকে আওয়ামী লীগের দূর্গ হিসেবে রূপ দিয়েছেন সাঈদ।রাজনীতিক পরিবারের এই সাঈদের জন্ম মতিঝিলেই।

Manual4 Ad Code

সাঈদের দাদা ১৯২৯ সালে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।ন্যাশনাল মেডিকেল এন্ড নিওরো সাইন্স এমবিবিএস এর শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।সে সময় নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু ঢাকায় আসলে তার সাথে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে একাত্বতা প্রকাশ করেন এবং আন্দোলনে সক্রিয় থাকার দায়ে এমবিবিএস এর শেষ বর্ষের পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে দেয় নি কর্তৃপক্ষ!

Manual7 Ad Code

সাঈদের বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ১৯৭০ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর আঞ্চলিক ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ছিলেন।১৯৭৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।সাঈদের চাচা এ কে এম মোজাম্মেল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের সদস্য।সাঈদের ভাই আনোয়ার পারভেজ হারুত তার নিজ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান।সাঈদ ১৯৯৬ সালে ৩২ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন পাশাপাশি বঙ্গভবন স্কুল কেন্দ্র ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।২০০০ সালে ৩২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের আহবায়ক কমিটির ১নং যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন।২০০২ সালে ৩ ফেব্রুয়ারী ৩২ নং ওয়ার্ড বর্তমান ৯নং ওয়ারেড় যুবলীগের কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত সভাপতি।২০১২ সালের ১৪ই জুলাই মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পান।দীর্ঘ এই রাজনৈতিক চলার পথে সাঈদ সফলতার এবং দক্ষতার সাথে পাড়ি দিয়েছেন।জনগনের আস্থা অর্জন করে তাদের ভালোবাসায় এবং ভোটে নির্বাচিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর হয়েছেন।জনগনের ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞ থেকে মতিঝিল এলাকা থেকে মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজী বন্ধ করতে সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে এসেছেন।নিজ অর্থায়নে এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নতিকরনের লক্ষ্যে রাস্তা করে দিয়েছেন।নিরাপত্তার দিক বিবেচনা করে এলার মূল এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গা গুলোতে গেট বসিয়েছেন।ছিনতাই এবং মাদক ব্যবসায়ীদের দৌরত্ব কমাতে সিকিউরিটি গার্ড রেখেছেন।যা এর আগে কোন ওয়ার্ডের কাউন্সিল করতে পারেনি।তাই সাঈদের ভালো কাজ গুলোতে ঈর্শান্নিত হয়ে জামাত বিএনপি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।কারন সাঈদকে ধ্বংস করতে পারলেই মতিঝিল দখলে আনা সহজ হবে বিএনপি জামাতের।
সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন নির্বাচনে অংশগ্রহন করে বিপুল ভোটে হকি ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন ।