ছইল মিয়া সোহেল :: মরন কামড়ের শেষ প্রস্তুতি চলছে শাহআরফিন টিলায়। রাত দিন চলছে শত শত বোমা মেশিন।
ফেলোডার ও স্কেব্যাটর দিয়ে চলছে পাহাড় কাটা।ট্রাক্টর দিয়ে পাহাড়ি অনুর্বর লাল মাটি ফেলা হচ্ছে কৃষি জমিতে।বিপন্ন হচ্ছে পরিবেশ, ধ্বংস হচ্ছে কৃষিজমি।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার একমাত্র পাহাড়ি শিলা ভূমি শাহ আরফিন টিলার ধ্বংবাশেষ চিহ্নটুকু দেখতে চাইলে কাওকেই শাহ আরফিন টিলায় যাওয়ার প্রয়োজন নেই।সামাজিক মাধ্যমেই দেখা মিলবে ফেলোডার ও স্কেবেটর দিয়ে পাহাড় কাটার ছবি।যন্ত্রদানব বোমা মেশিনের ভয়াল রুপ দেখতে চাইলে গুগলে সার্চ দিলেই দেখতে পাবেন হাজারো ধ্বংসাব চিত্র।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় অদ্য ২২ সেপ্টেম্বর রবিবার ভোর ছয়টা থেকেই চলছে নতুন দানবযন্ত্র স্কেব্যাটর ও ফেলোডার দিয়ে পাহাড়ের মাটি কাটার কাজ।ট্রাক্ট্রর দিয়ে সরানো হচ্ছে সে লাল মাটি।সেই মাটি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে নদী,নালা,খাল,কৃষি জমি।আর পাথর উত্তোলনের জন্যে ভো ভো আওয়াজে পরিবেশ ভারি করে চলছে বোমা মেশিন গুলি।
সূত্রে জানা যায় শাহ আরফিন টিলায় ৭৩ টি বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন হচ্ছে।আরো শতাধিক বোমা মেশিন কোয়ারীতে বসানোর প্রস্তুতি প্রায় শেষ।
ফেলোডার ও স্কেব্যাটর দিয়ে অবাধে কাটা হচ্ছে টিলার শেষ ভগ্নাংশটুকু
গত সপ্তাহের শুমাড়ি অনুসারে কোয়ারীতে বোমা মেশিন ছিল ৪৫ টি। পুলিশের দুইটি অতর্কিত অভিযানে ৮ টি বোমা মেশিন ধ্বংস করা হলেও ধরাছোয়ার বাইরে থেকে যায় আরো ৩৭ টি বোমা।ইতমধ্যে যোগ হয়েছে আরো ৩৬ টি বোমা মেশিন।সব মিলিয়ে বোমা মেশিনের সংখ্যা ৭৩ টি।সপ্তাহান্তে বেরেছে ৩৬টি বোমা মেশিন,কোয়ারীতে বসানোর প্রস্থুতি নিচ্ছে আরো শতাধিক বোমা।
এদিকে সূর্যখাল ভরাট করে ট্রাক্টর চলাচলের পথ তৈরী করে কৃষি জমিকে ধ্বংসের নীল নকশা একেছে গুটিকয়েক পাথরখেকু।
সূর্যখাল ভরাটে এই পাথর খেকুদের অন্যতম একজন (কোম্পানীগঞ্জ) বাহাদুর পুর গ্রামের ছইদ মিয়ার ছেলে রতন মিয়া।তার নেতৃত্বে চলছে সূর্যখাল দখল।বিগত কয়েক বছর পূর্বে এই সূর্যখাল খনন হলেও রতন মিয়ার নেতৃত্বে পুনরায় দখল হয়ে পড়েছে।
প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েই চলছে খাল ভরাট,পাহাড় কাটা ও বোমা মেশিনের তান্ডব।পুলিশি অভিযানেও থামছেনা এই মহাযজ্ঞ ধ্বংসলীলা।
শেষ ফলাফল এই দারালো পুলিশের অভিযানেও বোমা মেশিনের তান্ডব কমেনি বরং আরো ব্যাপরুয়া রুপ ধারন করেছে।খাল দখল কারী প্রাপান্ডারাও ঈদের আমেজের অনুভূতি নিয়ে ভরাট করছে সূর্যখাল।
এ ব্যাপারে কোম্পানীগঞ্জ থানার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজেন ব্যানার্জী জানান- বোমা মেশিন,ট্রাক্ট্রর ও স্কেব্যাটরের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। যারা সূর্যখাল দখল করে মাটি ভরাট করেছে তাদের বিরুদ্ধে একশনে যাচ্ছি।অতিশিগ্রই বোমামেশিন ও স্কেব্যাটরমুক্ত করা হবে শাহ আরফিন টিলা।