১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

ফুলছড়িতে মিথ্যা ধর্ষণ অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য, তরুণের জীবনের নিরাপত্তাহীনতা

admin
প্রকাশিত মে ১০, ২০২৫
ফুলছড়িতে মিথ্যা ধর্ষণ অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য, তরুণের জীবনের নিরাপত্তাহীনতা

Manual5 Ad Code

মোঃ মিঠু মিয়া 

Manual7 Ad Code

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়নের ডাকাতিয়ার চর এলাকায় এক তরুণের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ অভিযোগ আনার আশঙ্কায় স্থানীয়ভাবে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত তরুণ মোঃ শান্ত মিয়া (১৭) তার মামা মোঃ চান মিয়ার মাধ্যমে ফুলছড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, পূর্ব বিরোধের জের ধরে স্থানীয় একটি প্রতিপক্ষ চক্র পরিকল্পিতভাবে শান্ত মিয়া ও তার পরিবার কে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও হয়রানি করতে এই ধরনের চক্রান্তে জড়িয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন—মোঃ হবিবর রহমান (৫৫), মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৩৫), মোঃ ছাইদুর রহমান (৩৪), মোঃ সাইফুল ইসলাম (২৮), মোঃ মমিন মিয়া (২২), মোছাঃ খাদিজা বেগম (২৩) ও মোছাঃ ময়না বেগম (২৭)। তারা সকলেই একই এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত হবিবর রহমান তার নাতনি মোছাঃ তানজিনা খাতুনকে ব্যবহার করে শান্ত মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তোলার পাঁয়তারা করেন। শান্ত ও তার পরিবার বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করলেও, অভিযুক্তরা তাকে জোর করে বিয়েতে বাধ্য করতে চায়। শান্ত বিয়েতে রাজি না হওয়ায়, তার ও তার পরিবারের ওপর প্রাণনাশের হুমকি এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখানো হয়। এছাড়া, অভিযোগে বলা হয়—যদি শান্ত মিয়া তানজিনাকে বিয়ে না করেন, তবে তার ওপর ১০ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বাক্ষী হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সাতজন গণ্যমান্য ব্যক্তির। তারা হলেন—মোঃ বাদশা মিয়া, জুরান আলী, এমদাদুল হক, আলম মিয়া, রঞ্জু মিয়া, রহিম বাদশা ও চান মিয়া। তারা সকলেই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শান্ত মিয়াকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেন। এ বিষয়ে ফুলছড়ি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আয়নাল হক জানান, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

Manual2 Ad Code