ফারুক আহমেদ, মাগুরা প্রতিনিধি : পহেলা বৈশাখ বাঙালির জীবনে একটি অসম্প্রদায়িক উৎসব, পহেলা বৈশাখ মানে ইলিশ-পান্তা, শাড়ি পাঞ্জাবি আর সাথে একগুচ্ছ ফুল। রংবেরঙের ফুল ছাড়া পহেলা বৈশাখ কি ভাবা যায়? কিন্তু এবারের পহেলা বৈশাখ একটু ভিন্ন। মহামারী করোনা সবকিছুই ভন্ডুল করে দিয়েছে, লকডাউনের মধ্যে জীবন, অজানা শঙ্কাতে কোন কিছুই যেন নিয়ম মতো চলছে না। একশ্রেণীর মানুষের তো একবেলা অনাহারে কাটছে, কপালে হাত দিয়ে ভাবছে এভাবে চলতে থাকলে সামনের মাসে কি হবে? আগে কর্তাব্যক্তিরা ফেসবুকে নম্বর দিয়ে বলতো পেটে ক্ষুধা থাকলে জানিও খাবার পৌঁছে দেবো, এখন সে নম্বরগুলোও বন্দ। এর মাঝে পহেলা বৈশাখের আড়ম্বরপূর্ণ উৎসব কল্পনা করাও কঠিন।
মাগুরার শহরতলীতে বেশ কয়েকটি ফুলের খামার আছে, এরমধ্যে বেল নগরের ব্লুম এগ্রো ফার্ম লিমিটেড অন্যতম। ৫৬ শতক জমির উপর সৈয়দ মোরসালিন গ্রীনহাউজ করে জারবেরা ফুলের বাণিজ্যিক বাগান করেছেন। প্রতিদিন এখান থেকে ২০০০ মতো ফুল উৎপাদন হয় এবং সেটা ঢাকার বাজারে বিক্রি হয়। এবার পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে উৎপাদনটা একটু বেশি ছিল, তিনজন শ্রমিকের বেতন বোনাস দিয়ে ভেবেছিলেন এবার হয়তো একটু লাভের মুখ দেখবেন। কিন্তু লকডাউন এর ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার উৎপাদিত ফুল নষ্ট করে দিতে হচ্ছে, ইতিমধ্যে ৫ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতিও হয়ে গেছে। বাগানের কর্মচারী আসাদুল ইসলাম জানান "এভাবে চলতে থাকলি মালিক হয়তো ফার্মটা বন্ধ করে দিবেনে, আমরা গরীব মানুষ বেতন কড়ি না পালি, না খেয়ে মরবানে, এজন্যে সরকারের একটা ব্যবস্থা আমাদের জন্য করতি হবি।"
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক -শেখ তিতুমীর আকাশ।
বার্তা প্রধান : মোঃ সেলিম উদ্দিন
ইমেইল: dailyswadhinbhasha@gmail.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.abhijug.com কর্তৃক সংরক্ষিত।