

মহিবুল ইসলাম (রাজু), বিশেষ প্রতিনিধি:
জঙ্গি নির্মূলে জাসদের ভুমিকা কি কুষ্টিয়া জেলা জাসদের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা কারশেদ আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাবেক তথ্যমুন্ত্রী ও কুষ্টিয়া ২ আসনের এম্পি মিরপুর ভেড়ামারা বাসির নয়নের মনি জনাব হাসানুল হক ইনু তিনি জঙ্গি দমনে এক সাহসি সৈনিক।
২০১৬ সালে জাসদ ঘোষণা করেছে দেশকে জঙ্গিবাদের কবল থেকে স্থায়ীভাবে রক্ষা করতে হলে জঙ্গি নির্মূলের পাশাপাশি গত ৪০ বছর ধরে যারা ধারাবাহিকভাবে যুদ্ধাপরাধী-জামায়াত-জঙ্গিদের পুনরুৎপাদন করেছে তাদের রাজনীতি থেকে বর্জন করতে হবে, তাদের বিচার করতে হবে, প্রয়োজনে নতুন আইনি কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।
জাসদ জঙ্গি নির্মূল এবং জঙ্গি-সঙ্গী বর্জন ও বিচারের সঙ্গে সঙ্গে দুর্নীতি ও বৈষম্যের অবসান এবং সুশাসন ও সমাজতন্ত্রের বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলন পরিচালনায় দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।
দীর্ঘ ৪৪ বছরের সংগ্রামে শাসকদের আক্রমণে শহীদ হয়েছেন জাসদের হাজার হাজার নেতাকর্মী। বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অনেকে।
অনেকে সংগ্রামের সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে দল ছেড়েছেন। আশির দশকে দল যখন জিয়ার সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন কিছু নেতা জাসদ ছেড়ে গঠন করেছিলেন আলাদা দল।
এরশাদ সামরিক শাসনের শুরুতে আন্দোলনের পথ ছেড়ে সামরিক শাসকের সঙ্গে আপোষ করে দল ছেড়েছেন দলের প্রতিষ্ঠাকালীন অনেক নেতা।
১৯৮৮ সালে একই পথ অনুসরণ করেছেন কেউ কেউ। সর্বশেষ ২০১৬ সালে দলের কাউন্সিল থেকে বের হয়ে গেছেন কয়েকজন নেতা।
দল যখন জঙ্গি ও জঙ্গি-সঙ্গীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে তখন তাদের দলত্যাগ আমাদের মনে করিয়ে দেয় অতীতের দলত্যাগীদের কথা। তারা প্রত্যেকেই হারিয়ে গেছেন রাজনীতির মাঠ থেকে। কিন্তু এই হল নিয়ম: প্রতিটি ছোট-বড় বিজয়ের অনিবার্য আনন্দে মিশে থাকে স্বজন হারানোর বেদনা আর দলত্যাগী সাথীদের জন্য করুণা।
জাসদের প্রতিষ্ঠাকালীন অনেক নেতা দল ছেড়েছেন; তারা আন্দোলনের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেননি। কিন্তু জাসদ ধ্বংস হয়ে যায়নি; দলের কর্মীরাই দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন প্রতিটি অভীষ্ট লক্ষ্যের দিকে।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক -শেখ তিতুমীর আকাশ।
বার্তা প্রধান : মোঃ সেলিম উদ্দিন
ইমেইল: dailyswadhinbhasha@gmail.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.abhijug.com কর্তৃক সংরক্ষিত।